বিধিনিষেধের প্রভাব ছিল না পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের প্রভাব দেখা যায়নি পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে।

শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও এদিন সকাল থেকেই দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকে পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে ছিল যাত্রীবাহী বাস, ব্যক্তিগত যানবাহন। এ ছাড়া প্রতিটি ফেরিতে যাত্রীদের গাদাগাদি তো ছিলই।

বিআইডব্লিটিসির দৌলতদিয়া ব্যবস্থাপক মো. শিহাব উদ্দিন বলেন, ঘাটে যানবাহনের চাপ থাকায় বিধিনিষেধের মধ্যেও ফেরি বন্ধ রাখা যাচ্ছে না। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকামুখী গাড়ির চাপে দৌলতদিয়া ঘাটে নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে তিন শতাধিক যাত্রীবাহী বাস এবং পাঁচ শতাধিক প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম মো. জিল্লুর রহমান বলেন, শুক্রবার এ নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এ সময় রাত ভর দৌলতদিয়া প্রান্তে আটকে থাকে থাকে শত শত যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত যানবাহন। পরে দিন ভর এসব যানবাহনের সাথে মানবিক কারণে যাত্রীদেরও নদী পারাপার করা হয়েছে।

এদিকে মানিকগঞ্জ পুলিশের পাটুরিয়া ঘাট এলাকার কন্ট্রোল রুম জানিয়েছেন, আজও ঢাকা থেকে কিছু যাত্রী পাটুরিয়া প্রান্তে ভিড় করছেন।

অপরদিকে বেলা বাড়ার সাথে সাথে মানিকগঞ্জ জেলার ৭টি উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিজ নিজ এলাকায় তল্লাশি বসিয়ে বিভিন্ন যাত্রী ও যানবাহন শ্রমিকদের অর্থদণ্ড দিয়েছেন। এরপরও ঢাকা- আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের বিভিন্ন অংশে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ ছিল।