জিম্বাবুয়ের দাপুটে ব্যাটিংয়ে এলোমেলো বাংলাদেশ

সিরিজ নির্ধারণী টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে বোলিং করছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের দাপুটে ব্যাটিংয়ে অনেকটাই ছন্নছাড়া টাইগাররা।

ওয়েসলি মাধেভেরের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লে-তে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ৬৩ রান তুলে ফেলে জিম্বাবুয়ে। তিন নম্বরে নেমে রেজিস চাকাভাও ঝড় তোলেন। সুবাদে ৯.৩ ওভারেই দলীয় ১০০ পূরণ করে দলটি।

তবে ১২তম ওভারে জোড়া উইকেট শিকার করে বাংলাদেশকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছেন সৌম্য সরকার। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ১২ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের স্কোর ১২৬/৩।

তাদিওয়ানশে মারুমানিকে নিয়ে ইনিংস ওপেন করতে নামেন মাধেভেরে। দুজনেই দারুণ শুরু পান। শরিফুল ইসলামের তৃতীয় ওভারের শেষ দুই বলে পর পর চার ও ছক্কা হাঁকান মারুমানি।

তাসকিন আহমেদের করা ইনিংসের চতুর্থ ওভারে টানা পাঁচটি বাউন্ডারি তুলে নেন মাধেভেরে। তাতে জিম্বাবুয়ের স্ট্রাইক রেট পৌঁছে যায় ১২-তে।

ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে মারুমানিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তার মিডল স্টাম্পে থাকা লেংথ বল লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে লাইন মিস করেন মারুমানি। ফিরতে হয় বোল্ড হয়ে। ২০ বলে ২টি করে চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে ২৭ রান করেন তিনি।

তবে চাকাভা উইকেটে এসেই শটস খেলতে শুরু করেন। তাতে দ্রুতই এক শ পূরণ করে ফেলে জিম্বাবুয়ে।

১২তম ওভারের প্রথম বলে সৌম্যর শিকার হন চাকাভা। বাউন্ডারি লাইনে যাকে ক্যাচে পরিণত করার পুরো কৃতিত্ব মোহাম্মদ নাঈমের। ক্যাচ মুঠোয় পুরে যখন শরীরের ভারসাম্য রাখতে পারছিলেন না, ঠিক তখনই বলটা ছুড়ে দেন তিনি সতীর্থ শামীম হোসেনের দিকে। শামীম সেটি তালুবন্দী করতে ভুলে করেননি।

চাকাভা ২২ বলে ৪৮ রান করেছেন ৬ ছক্কায়। মাধেভেরের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ৩১ বলে উপহার দিয়েছেন ৫৯ রানের জুটি।

এরপর সৌম্যর ওই ওভারেই সিকান্দার রাজা এসে শূন্য রানে ফিরে যান। মাধেভেরে এগোচ্ছেন ফিফটির দিকে।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে রবিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হয়েছে ম্যাচটি।

প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ৮ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচ ২৩ রানে জিতে সিরিজে সমতা ফেরায় জিম্বাবুয়ে।

এর আগে একমাত্র টেস্টে হারের পর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ হয় জিম্বাবুয়ে।