সিরিজ জয়ের ম্যাচে শামীম হোসেনের আনন্দ যেখানে

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আন্তর্জাতিক অভিষেক শামীম হোসেনের। জাতীয় দলের হয়ে মাত্র দুই ম্যাচেই দারুণ সম্ভাবনার জানান দিয়েছেন যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম এই সদস্য।

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ দলে পিঞ্চ হিটারের অভাব মেটাবেন শামীম, এমনই স্বপ্ন দেখছে ভক্ত থেকে শুরু করে টিম ম্যানেজমেন্ট।

অভিষেক ম্যাচে শেষ দিকে নেমে ১৩ বলে ২৯ রান করেছিলেন শামীম। কিন্তু দল হেরে যাওয়ায় হতাশা সঙ্গী হয় তার। ম্যাচ শেষ করে আসতে পারেননি বলে একটু বেশিই খারাপ লাগা কাজ করছিল। লক্ষ্য ঠিক করেছিলেন পরের ম্যাচে সুযোগ পেলে তা পুষিয়ে দেওয়ার।

রবিবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বাংলাদেশের ৫ উইকেটের জয়ে ম্যাচে ১৫ বলে ৩১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন শামীম। ম্যাচের পর তাই নিজের আনন্দ প্রকাশ করছেন এভাবে, ‘আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো লাগছে যে গত ম্যাচে শেষ করতে পারিনি। তাই মনে রেখেছিলাম পরের ম্যাচটাই সুযোগ পেলে আমার লক্ষ্য থাকবে শেষ করে আসা। সেই সুযোগটা পেয়ে আমি সফলও হয়েছি। তাই অনেক ভালো লাগছে।’

এদিন আগে ব্যাট করে বাংলাদেশকে ১৯৪ রানের বড় লক্ষ্য দেয় জিম্বাবুয়ে। সৌম্য সরকারের ফিফটির সঙ্গে সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও শামীম হোসেনের ছোট্ট ইনিংসগুলো গড়ে দেয় টাইগারদের জয়ের ভিত। ২-১ এ সিরিজ নিশ্চিত হয় সফরকারীদের।

১৬তম ওভারে আফিফ হোসেন ফিরে যাওয়ার পর ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে উইকেটে আসেন শামীম। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে তার ১৯ বলে ৩৭ রানের পঞ্চম উইকেট জুটি দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যায়। তার আগে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ৫০ ও মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে ৬৩ রানের জুটি গড়েন সৌম্য।

বিসিবি প্রেরিত ভিডিও বার্তায় শামীম ম্যাচ পরিস্থিতি নিয়ে বলছিলেন, ‘যখন সৌম্য-রিয়াদ ভাই (মাহমুদউল্লাহ) ব্যাটিং করছিল, তখন সব পজিটিভ ছিল আমাদের দিকে। আমি যখন ড্রেসিংরুমে খেলা দেখছিলাম, তখন মনে ছিল যে আজ জিতব। যেভাবেই হোক আমরা জিতব ইনশা আল্লাহ।’

শামীম এদিন তার ইনিংস সাজিয়েছেন ৬ চারে। বলছিলেন, ‘রিয়াদ ভাই (মাহমুদউল্লাহ) আমাকে বলছিল যে ওভারে ১০ করে আসলে ম্যাচটা সহজে চলে আসবে। একটা বাউন্ডারি বা একটা সিক্স আসলেই হবে। আমি সেই পরিকল্পনা ধরে খেলেছি।’