চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সোনালী ব্যাংকের বৈলছড়ি কে.বি বাজার শাখার অস্থায়ী কর্মচারী মো. সেলিম (৪০) মারা গেছেন।
মঙ্গলবার রাতে নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ চেক করতে গিয়ে মৃত্যু হয় তার।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ চেক করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। সেলিম বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের বানীগ্রাম নতুন বাজার ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার গোলাম রহমানের ছেলে ।
নিহতের বড় ভাইয়ের মেয়ে খালেদা আক্তার বলেন, গত মঙ্গলবার বৃষ্টির কারণে সারাদিন বিদ্যুৎ ছিল না। সন্ধ্যায় চাচা বাড়িতে সোনালী ব্যাংক বৈলছড়ি কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে দেখেন তার পাশের বাড়িতে বিদ্যুৎ আছে, কিন্তু তার বাড়িতে নাই। পরে তিনি দু'জন ইলেকট্রিশিয়ানকে বিষয়টি দেখার জন্য ডেকে আনেন। তারা মিটার চেক করতে বললে, চাচা প্লাস দিয়ে মিটার সংযুক্ত তার টান দিতেই ভেজা তার থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। তাকে কালীপুর গুনাগরি মা-শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।
সোনালী ব্যাংকের বৈলছড়ি কে.বি বাজার শাখার ম্যানেজার বিক্রম কিশোর দত্ত বলেন, সেলিম বৈলছড়ি সোনালি ব্যাংক শাখার অস্থায়ী খণ্ডকালীন কর্মচারী ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকে চাকরি করেছেন।
রামদাশমুন্সির হাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো. রাকিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অসতর্কতাবশত সেলিম বৈদ্যুতিক মিটারের সাথে সংযুক্ত তার প্লাস দিয়ে টান দেন। বৃষ্টির কারণে তার ভেজা ছিল। ভেজা তারে প্লাস দিয়ে টানতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ নিয়ে বাঁশখালী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সোনালী ব্যাংকের বৈলছড়ি কে.বি বাজার শাখার অস্থায়ী কর্মচারী মো. সেলিম (৪০) মারা গেছেন।
মঙ্গলবার রাতে নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ চেক করতে গিয়ে মৃত্যু হয় তার।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ চেক করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। সেলিম বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের বানীগ্রাম নতুন বাজার ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার গোলাম রহমানের ছেলে ।
নিহতের বড় ভাইয়ের মেয়ে খালেদা আক্তার বলেন, গত মঙ্গলবার বৃষ্টির কারণে সারাদিন বিদ্যুৎ ছিল না। সন্ধ্যায় চাচা বাড়িতে সোনালী ব্যাংক বৈলছড়ি কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে দেখেন তার পাশের বাড়িতে বিদ্যুৎ আছে, কিন্তু তার বাড়িতে নাই। পরে তিনি দু'জন ইলেকট্রিশিয়ানকে বিষয়টি দেখার জন্য ডেকে আনেন। তারা মিটার চেক করতে বললে, চাচা প্লাস দিয়ে মিটার সংযুক্ত তার টান দিতেই ভেজা তার থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। তাকে কালীপুর গুনাগরি মা-শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।
সোনালী ব্যাংকের বৈলছড়ি কে.বি বাজার শাখার ম্যানেজার বিক্রম কিশোর দত্ত বলেন, সেলিম বৈলছড়ি সোনালি ব্যাংক শাখার অস্থায়ী খণ্ডকালীন কর্মচারী ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকে চাকরি করেছেন।
রামদাশমুন্সির হাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো. রাকিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অসতর্কতাবশত সেলিম বৈদ্যুতিক মিটারের সাথে সংযুক্ত তার প্লাস দিয়ে টান দেন। বৃষ্টির কারণে তার ভেজা ছিল। ভেজা তারে প্লাস দিয়ে টানতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ নিয়ে বাঁশখালী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলে জানান তিনি।