গার্মেন্টস খোলার খবর শুনে ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী হাজার হাজার যাত্রী ভিড় জমিয়েছেন। ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে কোস্টগার্ড ও পুলিশ সদস্যরা।
শনিবার সরেজমিনে ইলিশা ফেরি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীদের চাপে স্বাস্থ্যবিধি ও ও সামাজিক দূরত্ব মানা তো দূরের কথা শেষ পর্যন্ত সকালে ফেরি কিষানীতে কোনো যানবাহন উঠতে পারেনি। এখনো ফেরির অপেক্ষায় কয়েক হাজার যাত্রী ঘাটে অবস্থান করছেন।
ফেরি কর্তৃপক্ষ জানান, বেলা বাড়ার সাথে সাথেই হাজার হাজার যাত্রী ঘাটে জড়ো হয়ে নদী পার হওয়ার চেষ্টা করছেন। ঘাটে ফেরি ভেড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অপেক্ষমাণ শ্রমিকেরা ফেরিতে উঠে পড়ছেন।
ঘাটে থাকা মো. ফরিদ, মো. আবুল কালাম ও রিয়াজ উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন জন ঢাকামুখী শ্রমিক জানান, শুক্রবার তাদের অফিস থেকে ফোন দিয়ে বলা হয়েছে রবিবার সকাল ৯ টার মধ্যে কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। এ জন্য তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত ভাড়ার পাশাপাশি চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।
অপরদিকে ফেরিতে জায়গা না পেয়ে বিকল্প উপায়ে মাছ ধরার ট্রলার দিয়ে নদী পার হচ্ছেন অনেকে শ্রমিক।
ভোলা-লক্ষ্মীপুর ফেরির ইলিশা ঘাট পরিদর্শক কামরুল ইসলাম জানান সকাল সোয়া ১০টায় প্রায় ৩ হাজার যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যেতে বাধ্য হয় কিষানী নামক ফেরিটি। এর আগে ভোর সাড়ে ৫ টায় ছেড়ে গেছে ফেরি কুসুমকলি। যাত্রীদের চাপে ফেরিতে একটি মোটরসাইকেলও উঠতে পারেনি। ফেরি কনকচাঁপাতেও একই অবস্থা ছিল। গত রাত থেকে আজ পর্যন্ত ৫টি ফেরিতে ছিল একই অবস্থা।