বাল্যকালে গ্রামাঞ্চলে দেখেছি নিরক্ষর বা স্বল্প শিক্ষিত পিতামাতা তাদের সন্তানদের লেখাপড়ায় উৎসাহিত করতে এবং যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে তাদের সামনে অনেক সুবচন আওড়াতেন। এর মধ্যে ‘লেখাপড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে’ ছিল প্রথমে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকরাও কম যাননি; তাদের দেওয়া ‘সততাই উৎকৃষ্ট পন্থা’, ‘পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি’, ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড’এই জাতীয় সুবচনধর্মী উক্তির ভাব সম্প্রসারণে অনেক গলদঘর্ম হয়েছি এবং এগুলোর মর্মার্থ কিছুটা হলেও আত্মস্থ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তখনকার একমাত্র টিভি চ্যানেল বিটিভিতে জনপ্রিয় নাট্যকার আব্দুল্লাহ আল মামুনের ‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটি দেখে বেশ খানিকটা মোহভঙ্গ হয়। পরবর্তী সময়ে কর্মজীবন এবং এখন অবসর জীবনে এই সব নীতিবচনের মর্মার্থ নিয়ে এখন পুরোপুরি মোহমুক্ত।
কভিড-১৯ একযোগে পুরো বিশ্বে বিপর্যয় নিয়ে এসেছে; লাখ লাখ মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে, দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে ফেলছে, অযুত মানুষকে করছে কর্মচ্যুত। স্বল্প মেয়াদে এর প্রত্যক্ষ প্রভাব এতটাই পীড়াদায়ক যে, এটা নিয়ে রাষ্ট্রনায়ক, অর্থনীতিবিদ, চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও ভুক্তভোগী নিজেরাও পরিবর্তিত অবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে এবং উত্তরণে হন্যে হয়ে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। এই ফাঁকে অপরিমেয় দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির শিকার হচ্ছে শিক্ষা খাত, যেদিকে কারোরই তেমন নজর দিতে দেখা যাচ্ছে না। শিক্ষা খাতের সমস্যা হলো এর সুফল ও কুফল দুটোই দৃশ্যমান হতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়। ফলে এক্ষেত্রে আশু ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ কম থাকে। কিন্তু ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে আসতে প্রত্যাশী আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে শিক্ষা খাতের গুরুত্ব জীবন-মরণের চেয়ে কম কিছু নয়।
বিগত বছরের মার্চে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর তখন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যে বন্ধ করা হয়েছে, আজ পর্যন্ত সেগুলো খোলার নাম নেই। ২৭ মে, ২০২১ তারিখে দ্য ডেইলি স্টার-এ প্রকাশিত হংকং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বি এইচ কিমের লেখা এক নিবন্ধে দেখলাম যে, বাংলাদেশে ২৯ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত একনাগাড়ে যে ৪৭ সপ্তাহ ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল, সেটা পৃথিবীতে দীর্ঘতম; ৪৩ সপ্তাহের একনাগাড়ে ছুটি নিয়ে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে মিয়ানমার। এরপর পদ্মা-মেঘনা-যমুনা দিয়ে আরও কত জল গড়িয়ে গেল, কভিড জয়ের আত্মপ্রসাদে ফিল্ড হসপিটাল উবে গেল, বিনোদন কেন্দ্রে হই-হুল্লোড় বেড়ে গেল, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দোকানপাট খুলে গেল, ফ্যাক্টরির চাকা ঘুরতে শুরু করল, তাতে আগুনে কিছু মানুষ মারাও গেল, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কপাট বন্ধই রইল। ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী এ সময়ে দেশে ৩৬.৮ মিলিয়ন শিক্ষার্থী ক্লাসরুম শিক্ষার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
অনেকেই বলবেন ডিজিটাল যুগে ক্লাসরুমের লেখাপড়া আদৌ অত্যাবশ্যক নয়; ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে সেটা চালিয়ে নেওয়া সম্ভব, অনেকে সেটা নিচ্ছেও। তাদের মতে এতে বরং শাপে বর হয়েছে; ডিজিটালাইজেশনের গ্রহণ ও সম্প্রসারণ দ্রুততর হচ্ছে। এটা ঠিক যে, এই অতিমারীতে মানুষের অধিকাংশ কাজকর্ম স্থবির হয়ে গেলেও হাতেগোনা কয়েকটি কাজ, যেমন সুরক্ষা সামগ্রীর উৎপাদন ও বিক্রি, ওষুধপত্র ও টেলি-মেডিসিন, ই-বাণিজ্য, অনলাইন শপিং এবং অনলাইন ক্লাস বেড়ে গেছে। এইসব সুবিধার সঙ্গে সঙ্গে অনেক কুফল এবং নেতিবাচক প্রভাবও দৃশ্যমান হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সৃষ্ট সমস্যাগুলো হয়তো সামনের দিকে কোনো না কোনো ভাবে পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু শিক্ষাক্ষেত্রের ক্ষতি অপূরণীয়, সুদূরপ্রসারী ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্য-সৃজনী, যেটা পূরণ করা কঠিন।
বাস্তবে ভার্চুয়াল শিক্ষা সামনা-সামনি ক্লাসরুম শিক্ষার কোনো উপযুক্ত বিকল্প নয়। স্কুল তো ছাত্রদের জন্য শুধু অ্যাকাডেমিক শিক্ষার আধার নয়; আরও অনেক কিছু। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা সেখানে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শারীরিক, মনস্তাত্ত্বিক ও ভাবোদ্দীপক মিথস্ক্রিয়ার দক্ষতা অর্জন করে। মানুষ সামাজিক জীব; কোনো সামাজিক প্রতিষ্ঠানেই তার শিক্ষার পূর্ণতা লাভ সম্ভব। তাছাড়া অনলাইন শিক্ষা সামাজিক স্তর-বিন্যাস, গ্রামীণ-শহুরে বৈষম্য, অবকাঠামোগত বিভেদ ও দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিতে আলোকিত হওয়ার ক্ষেত্রে সুযোগের অসমতার কারণে সবাইকে একই রকম সুবিধা দিতে সমর্থ নয়। ফলে আর্থ-সামাজিক বৈষম্যের ক্ষেত্র আরও বৃদ্ধি পায়। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিশুদের খাবার সরবরাহ করে যে পুষ্টি চাহিদা পূরণ করত, স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের মনের খোরাকের সঙ্গে সঙ্গে দেহের খোরাকও বন্ধ হয়ে গেছে। শুধু তাই না, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সহায়ক কর্মচারীরাও কর্মহীন হয়ে পড়ে এক নতুন সামাজিক সমস্যার জন্ম দিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব ও আচরণে কিরূপ বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে এবং এর উপজাত হিসেবে নানা বদভ্যাস গড়ে ওঠে, তার জীবন্ত সাক্ষী আমি নিজে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্কুল বন্ধ। তখন ক্লাস এইটে উঠেছিলাম বটে, কিন্তু সাইজে পিচ্চি এবং হাবভাবে গোবেচারা গোছের হওয়ায় বড় ভাইয়েরা আর আমাকে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিতে নিয়ে গেলেন না। বেকার সময় কাটে, মাঝে মধ্যে বাবাকে কৃষিকাজে সাহায্য করে আর নদীতে মাছ ধরে; সমাজে ছাত্র হিসেবে আমার যেন কোনো মূল্য নেই। সেই সময় গ্রামের কয়েক জন সিনিয়র ছাত্র পার্টনারের অভাবে তাস খেলে সময়ের সদ্ব্যবহার করতে অপারগ ছিলেন। তারা আমাকে নানা প্রলোভনে তাসের শিক্ষানবিশ করে ফেললেন। এটা এমন এক নেশা যে কয়েক দিনের মধ্যে আমিই টুয়েন্টি নাইনের গোলাম হয়ে গেলাম; শয়নে-স্বপনে শুধু তাস ছাড়া আর কিছু দেখি না। এরপর ১৯৭৬ সালে এইচএসসি পাস করার পর আবার প্রায় বছর খানেক বসে ছিলাম। ১৯৭৭ সালে পাস করা ছাত্রদের সঙ্গে একসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করার গ্যাঁড়াকলে পড়ে। তখনো তাস তার দায়িত্ব ভালোই পালন করেছে। ভাগ্যিস তখন স্মার্ট ফোন না থাকায় গেমস আর প্রাপ্তবয়স্কদের ওয়েবসাইট দেখে ইঁচড়েপাকা হয়ে ওঠার সুযোগ পাইনি; তাসের নেশায় শুধু পরীক্ষার সময় চোখের জল ঝরিয়েছি। কিন্তু এখন তো কোনটা অনলাইন পেশা, আর কোনটা অনলাইন নীলনেশা অভিভাবকরা তার পার্থক্য করতে পারছেন না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল নেশার ফাঁদে বহু শিক্ষার্থী আটকা পড়ে যাচ্ছে। ক্লাসরুমের সরাসরি পাঠদান তাদের এই নেশা কাটতে সাহায্য করতে পারে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার পক্ষে যুক্তি হলো ক্লাসরুম ও স্কুলে যাওয়া-আসা থেকে কভিডের সম্ভাব্য সংক্রমণ ও বিস্তার রোধ করা। কভিডের প্রথম ঢেউ এবং দ্বিতীয় তরঙ্গের পর এখন যখন বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে, তখন কিন্তু শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকি সব কিছুই খুলে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বিগত সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে সংক্রমণের হারও কমে গিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা নিশ্চয়ই তখন এবং এখন বাড়ির বাইরে আসছেন, কর্মক্ষেত্রে যাচ্ছেন এবং বাজারঘাট করেছেন। কাজেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না আসা গৃহবন্দি শিক্ষার্থীরা কিন্তু বাসায়ও পরিবারের সদ্যসদ্যের দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে সব সময় ছিল এবং এখনো সেই ঝুঁকিতে রয়েছে। যতদিন এই অদৃশ্য ভাইরাস নির্মূল না হবে, ততদিন এই ঝুঁকি থেকেই যাবে। স্প্যানিশ ফ্লু মানুষকে ৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাড়িয়ে বেরিয়েছে। কিন্তু মানুষ কিন্তু তখন গৃহবন্দি থাকেনি; কাজ চালিয়ে গেছে। করোনা একের পর এক নতুন ভ্যারিয়েন্ট যেভাবে ছেড়ে চলছে, তাতে মনে হচ্ছে আগামী দুই চার বছরের মধ্যে এই ধরাধাম থেকে এই অদৃশ্য দানবের চলে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এ সময় জীবনের গতি ও জীবিকার অন্বেষণ যেমন থেমে থাকবে না, তেমনি জীবন সংগ্রামের প্রস্তুতি গ্রহণের ক্ষেত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকতে পারে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ভারত ও ব্রাজিল করোনায় আমাদের চেয়ে অনেক বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যুর শিকার হয়েছে। তারপরও তারা একনাগাড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখেনি; সুবিধাজনক সময়ে খুলে দিয়েছে, প্রয়োজনে আবার বন্ধ করেছে।
স্প্যানিশ ফ্লুও ছিল একটা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস যেটা শিশুদের বেশি সংক্রমিত করত। করোনাও একটি ভাইরাস, তবে তা বেশিবয়সী এবং নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যায় জর্জরিতদের অধিক সংক্রমণ ও প্রাণহানি ঘটায়; ১৮ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে মৃত্যুর হার খুবই কম। ইতিমধ্যে বিজ্ঞানীরা কিছু মডেলিং করে দেখতে পেয়েছেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হলে সমাজ-সংক্রমণে তার প্রভাব হবে খুবই কম। তবে তাদের কথা হলো স্থানীয় ঝুঁকি ও সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ও বন্ধ রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে। পুরো সমাজ যেখানে খুলে গেছে, সেখানে ছাত্র সম্প্রদায়কে আলাদাভাবে দ্বীপের মধ্যে বন্দি করে সুরক্ষা দেওয়ার চিন্তা বাতুলতা। পক্ষান্তরে প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সুবিধা অনেক; ছাত্ররা তাদের পাঠক্রম শেষ করতে পারবে, অভিভাবকরা ভারমুক্ত হবেন, ছাত্রদের শারীরিক, মনস্তাত্ত্বিক ও ভাবোদ্দীপক কল্যাণ আসবে, ছাত্ররা স্বাস্থ্যবিধি ও আদর্শ চর্চা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করবে, শিক্ষা গ্রহণে সুবিধার বৈষম্য কমে যাবে।
স্বাস্থ্য যেমন মানুষের মৌলিক অধিকার, তেমনি শিক্ষাও আরেকটি মৌলিক অধিকার। একটাকে স্থগিত রেখে আরেকটাকে রক্ষা করার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করে দেখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য নিয়ে যত আলোচনা; শিক্ষা সেখানে প্রায় অনুপস্থিত। বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের গণ্ডি থেকে বের হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এক কঠিন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হবে। একমাত্র আধুনিক মানসম্পন্ন শিক্ষাই পারে তার এই অভিযাত্রাকে টেকসই করতে এবং সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যেতে।
বিশ্বব্যাংকের সাবেক কোরিয়ান প্রেসিডেন্ট জিন ইয়ং কিম ২০১৮ সালে প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট’-এর মুখবন্ধে লেখেন, ‘শিক্ষা মানুষের আশা-আকাক্সক্ষা জাগ্রত করে, মূল্যবোধ পরিশীলিত করে, সর্বোপরি জীবনকে সমৃদ্ধ করে।’ পঞ্চাশের দশকে কোরিয়ান যুদ্ধের পর দেশটির নিরক্ষরতা ও দারিদ্র্য ছিল সর্বগ্রাসী। বিশ্বব্যাংক পর্যন্ত তখন কোরিয়াতে ঋণদান ঝুঁকিপূর্ণ মনে করত। কিন্তু কোরিয়া বুঝেছিল যে, একমাত্র শিক্ষাই হতে পারে এই দুষ্টচক্রের নাগপাশ থেকে মুক্তির একমাত্র হাতিয়ার। সেজন্য তারা দেশটির প্রতিটি শিশুকে শিক্ষাদান এবং যথার্থ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার ব্রত গ্রহণ করে। ‘খ্রিস্টের জন্মের ৭০০ বছর আগে জন্ম লাভকারী প্রখ্যাত চৈনিক সংস্কারক কুয়াং চাং বলেছেন, “If your plan is for one year, plant rice, if your plan is for 10 years, plant trees, if your plan is for 100 years, educate the children.” আমাদেরও উন্নয়নের জন্য এক বছর, পাঁচ বছর ও শত বছরব্যাপী উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু লক্ষ্য অর্জনের কারিগর গড়ার সময় হাতে খুবই কম। এর মধ্যে করোনা দেড় বছর হাতিয়ে নিয়ে গেছে। কাজেই এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া জরুরি। প্রধানমন্ত্রীও তাই বলেছেন। এখন প্রধান কাজ হবে কীভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি ন্যূনতম পর্যায়ে রেখে এই কাজটা করা যায়।
লেখক খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক
rulhanpasha@gmail.com