২০৪১ সাল নাগাদ দেশে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তুলতে চায় সরকার। এর মধ্যে দেশের সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি ব্যবহার করে অন্তত ৪৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। বিদেশ থেকে আমদানি করা গ্যাস (এলএনজি) ভিত্তিক ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ভারত-নেপাল থেকে আমদানির পরিকল্পনা যোগ করলে চাহিদার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ থাকবে বাংলাদেশের হাতে। সরকার নবায়নযোগ্য বা পরিবেশবান্ধব সবুজ জ্বালানির দিকে অনেকটাই ঝুঁকে পড়েছে। তার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে সরকারের নীতি ও পরিকল্পনায়ও। সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠান টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষ (স্রেডা) সহায়তায় গত বছরের অক্টোবরে নবায়নযোগ্য জ্বালানির একটি মহাপরিকল্পনার খসড়া করা হয়েছে। এই পরিকল্পনায় ৪৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সবুজ জ্বালানি বা নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন করা সম্ভব বলে জানিয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবে আগের ২২টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে সরকার অনেকটা সরে এসেছে। সম্প্রতি সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ ১০টি কেন্দ্র রেখে বাকি সবগুলোর নির্মাণ পরিকল্পনা বাতিল করেছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তির মহাপরিকল্পনায় কী আছে? : সরকারি সংস্থা স্রেডার সহায়তায় গত বছরের অক্টোবরে নবায়নযোগ্য জ্বালানির একটি মহাপরিকল্পনার খসড়া করা হয়েছে। মহাপরিকল্পনায় বলা হয়, ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল এই ২০ বছর দেশে শুধু সৌরবিদ্যুৎ থেকেই ২৭ হাজার ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এ ছাড়া দেশে কম করে হলেও ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বায়ুশক্তি ব্যবহার করে করা যাবে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সৌরবিদ্যুতের সব থেকে বড় সংকট হলো জমি। এ ছাড়া সন্ধ্যার পরে যে বিদ্যুৎ দরকার সেটা সৌরশক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন করা সম্ভব নয়। আর প্রতি ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গড়ে তিন একর জমি লাগে, ১০০ মেগাওয়াটের একটি কেন্দ্র নির্মাণে জমির প্রয়োজন হয় ৩০০ একরের মতো। বাংলাদেশের মতো অধিক ঘনবসতির দেশে জমি বড় সংকট, বিশেষত খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখার জন্য।
বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত গবেষণায় দেখা জানা যাচ্ছে, সৌরবিদ্যুতের প্রযুক্তির উন্নতি জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। ফলে ২০৩০ সালের আগে সৌরবিদ্যুতের দক্ষতা এমন পর্যায় গিয়ে দাঁড়াবে যে, অল্প জমিতে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা যাবে। সৌরবিদ্যুৎ ধরে রাখার জন্য এখনই বড় ধরনের ব্যাটারি স্টোরেজ করছে অনেক দেশ। ব্যাটারি স্টোরেজ থেকে সন্ধ্যার পরে সহজেই বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে বিদ্যুতের অপচয়ও কম হবে। যতখানি দরকার ততটুকই ব্যবহার করা যাবে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির মহাপরিকল্পনা সৌরবিদ্যুতের জমির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছে। দেশের কোথায় কত অকৃষি জমি রয়েছে তার তথ্য এই মহাপরিকল্পনায় রয়েছে। সেখানে কাপ্তাই লেক, রংপুর ও নীলফামারীর তিস্তা নদীর চর, কুড়িগ্রামের যমুনা নদীর চরসহ সুনির্দিষ্টভাবে দেশের ১২টি স্থানের নাম বলা হয়েছে। এসব স্থানে কত পরিমাণ অকৃষি জমি রয়েছে তাও উল্লেখ করা হয়েছে। দেশের এই ১২টি স্থান থেকে ১৬ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। এর মধ্যে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য তৈরি করা কাপ্তাই লেকের আয়তন ১১ হাজার বর্গ কিলোমিটার। যার মধ্যে পানির আধার বা ওয়াটার বডি রয়েছে ৭৫০ বর্গ কিলোমিটার। এর মাত্র ১ শতাংশ পানির ওপর ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করলে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এ ছাড়া পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সাল নাগাদ যমুনা নদীতে যেসব চর উঠবে ও স্থিতিশীল হচ্ছে তার পরিমাণ হবে ১ লাখ ৫৬ হাজার হেক্টর।
পরিকল্পনায় বলা হয়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী দেশে ২০ লাখ একর অকৃষি খাস জমি রয়েছে। এসব অকৃষি খাস জমিতে সৌরবিদ্যুৎ করা সম্ভব। দেশে ১০০ ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব ইকোনমিক জোনে সৌরবিদ্যুৎ করা সম্ভব বলেও বলা হয়। সব মিলিয়ে সৌরশক্তি ব্যবহার করে ২৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ অনায়াসে উৎপাদন করা সম্ভব।
এ ছাড়া পরিকল্পনায় বায়ুবিদ্যুতের কথাও বলা হয়েছে। বলা হয়েছে দেশের বায়ুশক্তি ব্যবহার করে অন্তত ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে প্রথমবারের মতো বায়ুর মানচিত্র করেছে সরকার। দেশে বায়ুবিদ্যুতের সম্ভাবনা জানতে দেশের ৯টি জেলায় যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের প্রতিষ্ঠান এনআরইএলের সহায়তায় গবেষণা করা হয়। সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ এখন জানতে পেরেছে, দেশের কোন কোন জেলায় বায়ুভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা সম্ভব। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের প্রতিষ্ঠান এনআরইএলের সহায়তায় দেশের ৯টি জেলায় বায়ুর গতিবেগ মাপা হয়।
বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতি সেকেন্ডে বায়ুর গতিবেগ সাড়ে ৪ মিটার গড় হলে সেখানে বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করলে তা বাণিজ্যিকভাবে সফল হবে। এনআরইএলের করা বায়ুর মানচিত্রে দেখা গেছে, দেশে বাতাসের গড় গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৫.৭৫ থেকে ৬.২৫ মিটার রয়েছে ১২ হাজার ২৭৬ কিলোমিটার। এখান থেকে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব বলে পরিকল্পনায় জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া দেশে বর্তমানে ডিজেল তেলচালিত ১২ লাখ ৪০ হাজার সেচ পাম্প রয়েছে ধানসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের জন্য। এসব পাম্পকে সৌরচালিত করা গেলে দেশে ১০ লাখ টন ডিজেল বেঁচে যাবে তার মূল্য বর্তমানে প্রায় ৩৪০০ কোটি টাকা। পাশাপাশি বাঁচবে পরিবেশ। বর্তমানে দেশে প্রায় তিন হাজার সৌরচালিত সেচপাম্প রয়েছে।
আগামী পৃথিবী সবুজ শক্তির : পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাড়ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার। অন্যদিকে কমছে কয়লা, তেলসহ জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার। জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সির (আইআরইএনএ) সর্বশেষ এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী তখন যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছিল তার মধ্যে ৭১.২% ছিল নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক। ২০১৯ সালে সারা দুনিয়াতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ হয়েছে ২৮২.২ বিলিয়ন ডলার। আর নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি বাড়ছে।
শুধু নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাড়ছে তা নয়, একই সঙ্গে এ প্রযুক্তির উন্নয়নও হচ্ছে। আগের তুলনায় বেড়েছে সৌরবিদ্যুতের দক্ষতাও। পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের প্রতিষ্ঠান এনআরইএলের মতে, পৃথিবীতে এখন ৪৭.১% পর্যন্ত সৌরবিদ্যুতের দক্ষতা রয়েছে। অথচ সর্বশেষ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রযুক্তি হলো আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল। আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দক্ষতা সর্বোচ্চ ৪১ শতাংশ। শুধু পরিবেশের জন্যই ভালো নবায়নযোগ্য জ্বালানি তা নয়, বাণিজ্যিকভাবেই ইতিমধ্যে তেলকে পেছনে ফেলেছে সৌরবিদ্যুৎ খোদ বাংলাদেশে।
বর্তমানে গ্যাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড় খরচ প্রতি ইউনিট ২ টাকা ৭৩ পয়সা। কয়লা ৭ টাকা ৩৮ পয়সা, তেল ২০ টাকা ৩৮ পয়সা। সরকার নতুন যেসব বিদেশ থেকে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমতি দিচ্ছে তার উৎপাদন ব্যয় কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এখনই বলা যাচ্ছে না। কারণ প্রতিনিয়তই বাড়ছে বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম। অন্যদিকে সরকার যেসব সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র অনুমোদন এখন দিচ্ছে তার প্রতি ইউনিটের দাম হবে গড়ে ৮ টাকা ৫০ পয়সা।
অবশ্য পৃথিবীর অন্যান্য দেশে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন খরচ আরও কম। জ্বালানি শক্তি ভেদে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচের বিষয়ে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক সংস্থা আইআরইএনএর প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে। সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ গড়ে ৬ দশমিক ৮ সেন্ট (প্রতি সেন্ট ৮৫ পয়সা ধরলে বাংলাদেশি টাকায় ৫ টাকা ৭৮ পয়সা হয়)। প্রতিবছরে এ উৎপাদন ব্যয় গড়ে ১৩ শতাংশ হারে কমছে। স্থল ও সাগরভাগে স্থাপিত বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যয়ও প্রতিবছর কমছে। স্থলভাগে স্থাপিত বায়ুবিদ্যুতের ইউনিট-প্রতি উৎপাদন ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩ সেন্ট (৪ টাকা ৫০ পয়সা) ও সাগরভাগে স্থাপিত কেন্দ্রের ব্যয় ইউনিট-প্রতি ১১ দশমিক ৫ সেন্ট (৯ টাকা ৭৭ পয়সা)। ২০২১ সালে যেসব সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে আসবে, তার ব্যয় হবে ৩ দশমিক ৯ সেন্ট (৩ টাকা ৩১ পয়সা), যা ২০১৯ সালের ব্যয় থেকে ৪৩ ভাগ কম।
আইআরইএনএ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগে তেল-কয়লার মতো জ্বালানি থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় ছিল ৭ দশমিক ৬ সেন্ট (৬ টাকা ৪৬ পয়সা), যা এখন ৬ দশমিক ৬ সেন্ট (৫ টাকা ৬১ পয়সা)। তবে জীবাশ্ম জ্বালানির এই হিসাব সারা দুনিয়ার ক্ষেত্রে গড়। যে দেশে নিজেদের কয়লা ও তেল রয়েছে, সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ কম। আর বাংলাদেশের মতো দেশে সেই খরচ বেশি। কারণ বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিলের সঙ্গে জ্বালানির মূল্য, কেন্দ্রভাড়া (বিদ্যুৎকেন্দ্র বসে থাকলেও দেওয়া হয়), বিদ্যুৎতের মূল্য ও কেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের অর্থ দেওয়া হয়। ফলে বাংলাদেশে আমদানি করা কয়লা দিয়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে সাড়ে আট টাকা থেকে নয় টাকা পড়ছে।
বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে বড় আকারে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এখনো শুরু হয়নি। দেশে মোট ২৩টি নবায়নযোগ্য শক্তিনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ের কাজ চলছে। এসব কেন্দ্রের সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট।
দেশে এখন বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ২২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। এ অনুপাতে নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে উৎপাদিত হওয়ার কথা ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ। কিন্তু এখন সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা মাত্র ১২৯ মেগাওয়াট, যা আসছে সাতটি কেন্দ্র থেকে।
তবে বাসাবাড়ি ও অফিসে সোলার হোম সিস্টেম বসিয়ে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা হয়। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষের (স্রেডা) হিসাবে, বাংলাদেশে প্রায় ৫৮ লাখ সৌরবিদ্যুৎ বা সোলার হোম সিস্টেম রয়েছে। এ থেকে প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসে। পৃথিবীতে বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাবে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, স্রেডা নবায়নযোগ্য জ্বালানির একটা মহাপরিকল্পনার কাজ করছে। এটির খসড়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বায়ুবিদ্যুৎ করার জন্য আমরা মানচিত্র তৈরি করেছি। আমরা সৌরবিদ্যুতের ওপরও জোর দিচ্ছি। ভারত ও নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ওপর আমরা জোর দিচ্ছি। ভারত থেকে ১১৬০ মেগাওয়াট আমদানি করা হচ্ছে। নেপাল থেকে আমদানি করার জন্য একটি চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে দুনিয়াতে কী ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করা হবে, সেটা আমরা মাথায় রেখেই আমাদের পরিকল্পনা সংশোধন ঠিক করছি। বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবার আগে পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।