শিক্ষাক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান বহুমুখী ও সুবিস্তৃত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা ঘটে দরিদ্র, অবহেলিত ও প্রান্তিক এক জনপদের মানুষকে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সাহায্য করার দায়িত্ব নিয়ে। সে দায়িত্ব পালনে বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ত্রুটি করেনি। অসংখ্য মানুষকে সে সুশিক্ষিত করেছে; ওই শিক্ষিতজনরা নিজেদের আরও বিকশিত করেছেন, এবং অন্যদের ভেতরও শিক্ষা বিস্তৃত করেছেন। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল পূর্ববঙ্গে প্রথম ও একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়। ক্রমে আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় পাওয়া গেছে; কিন্তু সেসব বিশ্ববিদ্যালয়েও মাতৃসম এই বিশ্ববিদ্যালয়কেই শিক্ষক সরবরাহ করতে হয়েছে। শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়, পূর্ববঙ্গের বিপুলসংখ্যক স্কুল-কলেজের অনেক শিক্ষকই এখানে শিক্ষিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা ঘটেছিল রাজনৈতিক কারণে। ব্রিটিশ শাসকদের উৎসাহ ছিল না উচ্চশিক্ষার বিস্তারে, পরিস্থিতির চাপে তারা সম্মত হয়েছিল এটি স্থাপনে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গে এই অঞ্চলে একটা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও কিছুটা অগ্রগতি ঘটে, মানুষের মনে আগ্রহ জাগে উচ্চশিক্ষার। বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ওই অগ্রগমন ব্যাহত হয়। তখন এখানকার জনপ্রতিনিধিরা দাবি করেন ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকাকে একটি বিশ্ববিদ্যালয় দেওয়া চাই। ঔপনিবেশিক সরকার ছাড় দিয়েছে, কিন্তু উৎসাহ দেয়নি। শুরুটা ছিল দায়সারা গোছেরই। তখন অনুষদ ছিল মোট তিনটি কলা, বিজ্ঞান ও আইন। আইন অনুষদে বিভাগ মাত্র একটি; বিজ্ঞান অনুষদে একটু বেশি, দুটি; বাকি ৯টি বিভাগ কলা অনুষদের। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ বলে কিছু ছিল না। অর্থনীতি ও রাজনীতি পড়ানো হতো একই বিভাগে। বাণিজ্য শিক্ষার জন্য কোনো স্বতন্ত্র বিভাগ খোলা হয়নি; তাকে জায়গা করে নিতে হয়েছে অর্থনীতিতে। সব মিলিয়ে শিক্ষক ছিলেন মোট ৬০ জন, শিক্ষার্থী ৮৭৭। তারপরেই কিন্তু দ্রুত বিকাশ ঘটেছে। বাণিজ্য অনুষদ গঠিত হয়েছে, সেখানে প্রথমে বিভাগ ছিল দুটি, এখন আছে ৯টি। অনুষদের নামও গেছে বদলে, নতুন নাম বাণিজ্য অনুষদ। ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের শুরুটা ঘটেছিল দ্বিধার সঙ্গে, এখন সেটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি প্রতিষ্ঠান।
বিজ্ঞান অনুষদের রসায়ন বিভাগ থেকে প্রথমে এলো মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ; পরে ফার্মেসি; ফার্মেসি এখন সম্পূর্ণ একটি অনুষদ, বিভাগ সেখানে চারটি। মৃত্তিকা বিজ্ঞান যুক্ত হয়েছে জীববিজ্ঞান অনুষদের সঙ্গে, সেখানে বিভাগ সংখ্যা এখন দশটি। ভূগোল শিক্ষার নিজস্ব ব্যবস্থা শুরুতে ছিল না, পরে তার সঙ্গে আরও পাঁচটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অনুষদ। পদার্থ বিজ্ঞান একক ছিল একসময়ে; সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছে তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞান; আরও পরে অ্যাপ্লায়েড ফিজিকস। পরে গঠিত হয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদ, তাতে বিভাগ রয়েছে পাঁচটি। দর্শন বিভাগ অবশ্য যাত্রার শুরুতেই ছিল, তবে মনোবিজ্ঞান ছিল না। পরে মনোবিজ্ঞান বিভাগ হয়েছে; ক্রমান্বয়ে এসেছে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি এবং এডুকেশন অ্যান্ড কাউন্সেলিং বিভাগ। ভাষাবিজ্ঞান এখন একটি স্বতন্ত্র বিভাগ। আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট গঠন করা হয়েছিল সময়ের প্রয়োজন মেটাতে; এখন সেটি একটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত প্রতিষ্ঠান। আর্ট কলেজ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে, একসময়ে তা চারুকলা ইনস্টিটিউট হিসেবে যুক্ত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে; এখন হয়েছে অনুষদ। চারুকলা অনুষদে এখন বিভাগ রয়েছে আটটি। নাট্যকলা বিভাগ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা ছিল অনেক দিন ধরেই, পরে সেটা সম্ভব হয়েছে। এই বিভাগের শিক্ষাকার্যক্রম এখন প্রসারিত হয়েছে তিনটি বিভাগে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ, সংগীত এবং নৃত্যকলা। একদা-অনুপস্থিত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে বর্তমানে বিভাগ রয়েছে ষোলোটি। শুরু থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্ব দিয়েছে গ্রন্থাগারকে; এবং সেটিকে সে ক্রমাগত সমৃদ্ধ করেছে। গ্রন্থাগারের একটি অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ হচ্ছে প্রাচীন পান্ডুলিপি। বাংলা এবং ইংরেজি ছাড়াও ফার্সি, আরবি ও উর্দু ভাষায় রচিত বিপুল পরিমাণ পান্ডুলিপি আছে তার সংগ্রহে। পান্ডুলিপিগুলোর তালিকা প্রণয়ন ও মাইক্রোফিল্মের সাহায্য তাদের সংরক্ষণের সুব্যবস্থা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারটিকে এখন ইন্টারনেট প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিজ্ঞান গ্রন্থাগারটিও অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে বহুসংখ্যক ইনস্টিটিউট এবং গবেষণা কেন্দ্র। প্রথম প্রতিষ্ঠা শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের, তারপরে একে একে এসেছে আরও ১১টি। গবেষণা কেন্দ্রগুলোর ভেতর প্রথমে স্থাপিত হয় অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ব্যুরো, পরে এসেছে আরও ৯টি। শারীরিক শিক্ষাও মোটেই উপেক্ষিত থাকেনি, তার জন্যও রয়েছে একটি উন্নত জিমনেশিয়াম ও একটি স্টেডিয়াম। অভাব ছিল প্রকাশনা সংস্থার; এখন তা নেই।
তর্কবিতর্কের পর স্থির হয়েছিল যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হবে একটি এককেন্দ্রিক ও আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। মডেলটি ছিল অক্সফোর্ডের। এ রকমের বিশ্ববিদ্যালয় ভারতবর্ষে এটিই প্রথম। এর অধিভুক্ত ছিল ঢাকা শহরের অল্প কয়েকটি কলেজ। আবাসিকতার তাৎপর্যটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীরা প্রত্যেকেই আবাসিক নয়তো অনাবাসিক পর্যায়ে যুক্ত থাকত একটি ছাত্রাবাসের সঙ্গে। শিক্ষকরাও যুক্ত হতেন নানাভাবে। ছাত্রাবাস থাকায় শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধান হয়েছিল। সিট ভাড়া ছিল যৎসামান্য; ভর্তুকি থাকায় খাবার পাওয়া যেত স্বল্পমূল্যে। ছাত্রাবাসগুলো ছিল ক্লাসরুমেরই সম্প্রসারণ। সেখানে ছাত্র সংসদ ছিল। ছাত্র সংসদ নানা ধরনের অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করত। বক্তৃতা ও বিতর্কের অনুষ্ঠান হতো। অতিথি বক্তারা আসতেন। ১৯২২-২৩-এ একটি বিতর্কের বিষয় ছিল বলশেভিজম ও এনার্কিজম; তাতে অধ্যাপকদের কয়েকজন এবং উপাচার্য স্বয়ং অংশ নিয়েছিলেন। ছাত্রাবাসের সঙ্গে ছিল লেখার মাঠ। ছাত্রাবাসে নাটকও মঞ্চস্থ হতো। শুরুতে ছেলেরাই মেয়ে সাজত, পরে ছেলেমেয়েদের সহ-অভিনয় প্রবর্তিত হয়। বিকেলবেলাগুলো থাকত আনন্দে মুখরিত। সবচেয়ে বড় কথা, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীর মেলামেশা, একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, আলাপ-আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বিকশিত হয়েছে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহণ সক্ষমতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বৈশিষ্ট্য ছিল টিউটোরিয়াল ব্যবস্থা, যেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ পেত, এবং লেখার মধ্য দিয়ে অধীত জ্ঞানকে আত্মস্থ করে নিতে পারত।
সূচনাতেই বিশিষ্ট গবেষকরা শিক্ষক হিসেবে এসেছিলেন। শহরটি মফস্বলীয় ছিল, কিন্তু এর শান্ত পরিবেশ ছিল অধ্যয়ন ও গবেষণার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তদুপরি বেতন ও আবাসন ব্যবস্থা দুটোই ছিল আকর্ষণীয়। সত্যেন বসু, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষের মতো প-িতদের পাওয়া গিয়েছিল শিক্ষক হিসেবে। তারা নিজেরা গবেষণা করেছেন, এবং শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেছেন গবেষণায়। অঙ্কুরটি তারাই বপন করেছিলেন, পরে যেটা নিজস্বতা নিয়ে বিকশিত হয়েছে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়, তাই চ্যালেঞ্জও ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় উদ্দীপনার সঙ্গে সে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে। শিক্ষার মানের ব্যাপারে কোনো আপস করেনি। প্রতিটি উত্তরপত্র দুজন পরীক্ষকের কাছে পাঠানো হতো, একজন ভেতরের, অপরজন বাইরের। সে-ব্যবস্থা এখনো আছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে নারীশিক্ষার ক্ষেত্রে ভূমিকা। শুরুতে ছাত্রী ছিল মাত্র দুজন। প্রথমজন লীলা নাগ, যিনি নানা রকমের নিষেধ ডিঙিয়ে ভর্তি হতে পেরেছিলেন। প্রথম মুসলমান ছাত্রী ফজিলাতুননেসা; এসেছেন চার বছর পরে, ১৯২৫-এ; এবং স্মরণীয় হয়ে আছেন অত্যন্ত ভালো ফল করে শুধু নয়, সারা বাংলায় প্রথম মুসলমান মহিলা এমএ হিসেবেও। মহিলা শিক্ষকের আগমনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে অপেক্ষা করতে হয়েছে পনেরো বছর। ছাত্রীনিবাস স্থাপিত হলে প্রাথমিকভাবে পাওয়া গিয়েছিল আটজনকে, তাদের মধ্যে মাত্র একজন ছিল মুসলমান। সেই একই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ছাত্রীসংখ্যা ১৫,৩০৫। মহিলা শিক্ষক আছেন ৬৬৩ জন। ছাত্রীদের জন্য আবাস রয়েছে সাতটি। আরও প্রয়োজন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনেক ব্যাপারেই শিক্ষা দিয়েছে, তবে সবচেয়ে জরুরি যে জিনিসটা শিখিয়েছে তা হলো অসাম্প্রদায়িকতা। বাইরে যখন সাম্প্রদায়িকতার তা-ব চলছিল, ভেতরে যে তা আছড়ে পড়েনি তা-ও নয়, সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে কলাভবনের ফটকে প্রাণ দিয়েছেন নাজির আহমদ। সেটা বাইরের প্রভাব। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে সাম্প্রদায়িকতা তো ছিলই না, বরং অব্যাহত চর্চা ছিল অসাম্প্রদায়িকতার ও ইহজাগতিকতার, বস্তুত ধর্মনিরপেক্ষতারই। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম চ্যান্সেলর তার সমাবর্তন বক্তৃতায় আশা প্রকাশ করেছিলেন যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হবে এ অঞ্চলে ‘মুসলিম শিক্ষা’র প্রধান কেন্দ্র; কিন্তু তেমনটা ঘটেনি। ১৯২১ সালে প্রথম ব্যাচের ৮৭৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১৭৮ জন ছিল মুসলমান, যদিও জনসংখ্যার দিক থেকে পূর্ববঙ্গে তারাই ছিল শতকরা ৬০ জন। শিক্ষকদের প্রায় সবাই ছিলেন হিন্দু; কিন্তু তারা হিন্দু-মুসলমানে কোনো পার্থক্য করেননি। সম্প্রদায়ের তো নয়ই, শ্রেণির, জাতপাতের এবং আঞ্চলিকতার ব্যবধান ভাঙতেই বিশ্ববিদ্যালয় শিখিয়েছে। শিক্ষা দিয়েছে সামাজিকতার। তবে বাধা ছিল। সেগুলোকে স্মরণে না রাখলে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় যা করতে চেয়েছিল ও যা করতে পেরেছে এ দুয়ের ব্যবধানটাকে বোঝা যাবে না। বাধা ছিল সামাজিক ও রাজনৈতিক। সমাজ ছিল অনগ্রসর ও কুসংস্কারে আক্রান্ত। রাষ্ট্র ছিল বৈরী। যাত্রার শুরুতে এই বিশ্ববিদ্যালয় যে স্বায়ত্তশাসনটুকু পেয়েছিল ১৯৬১-তে তা হরণ করা হয়। ১৯৪৭-এ দেখা দিয়েছিল শিক্ষক সংকট; কিছুসংখ্যক গেছেন অবসরে, অনেকেই বাধ্য হয়েছেন দেশত্যাগে। বিশ্ববিদ্যালয়কে তখন অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হয়েছিল কলেজগুলোর শিক্ষাকার্যক্রম দেখার ও পরীক্ষা পরিচালনার।
আর একাত্তরে তো চেষ্টাই হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়কে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার। ব্রিটিশ আমলে রাষ্ট্র ছিল ঔপনিবেশিক, পরে রাষ্ট্র চলে গিয়েছিল পাঞ্জাবি শাসকদের অধীনে; রাষ্ট্রীয় তৎপরতার বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয় চর্চা করেছে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির। সেজন্য দেখা গেছে বিশ্ববিদ্যালয় আক্রান্ত হচ্ছে, ঘনঘন তার শিক্ষাকার্যক্রম স্থগিত হয়ে যাচ্ছে। তবু বিশ্ববিদ্যালয় অবিচল থেকেছে তার কর্তব্যনিষ্ঠায়। একাত্তরের পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন পেয়েছে; কিন্তু যে ধরনের স্বাধীনতা প্রত্যাশিত ছিল তা পায়নি। শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান বিবেচনার ক্ষেত্রে বাস্তবতার এই দিকটা উপেক্ষা করার উপায় নেই।
লেখক ইমেরিটাস অধ্যাপক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়