অনুচ্চারিত ভালোবাসা
চিঙ্গিস আইৎমাতভের বিখ্যাত উপাখ্যান ‘প্রথম শিক্ষক’-এ দেখি প্রধান চরিত্র তার প্রথম বিদ্যাপীঠকে বিদায় জানাতে গিয়ে শৈশবকেও যেন বিদায় জানাচ্ছে। বিদায় জানাচ্ছে প্রিয় শিক্ষককেও : ‘বিদায়, মাস্টার সাহেব, বিদায়! আমার প্রথম বিদ্যাপীঠ বিদায়! হে আমার শৈশব, বিদায়!’ আমরাও একসময় শৈশব-কৈশোর-তারুণ্যের বিদ্যাপীঠকে বিদায় জানিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্য পড়তে ভর্তি হয়েছিলাম। ভর্তি তো হলাম। এবার সাবসিডিয়ারি বিষয় পছন্দ করার পালা। নিলাম ‘সরকার ও রাজনীতি’ আর ‘ইতিহাস’। তা-ও আবার ‘ইউরোপের ইতিহাস’। তখনো ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক’ বিভাগটি খোলা হয়নি। তবে সে-বিষয়টা ইতিহাস বিভাগে পড়ানো হতো।
২. সাবসিডিয়ারি ক্লাসের প্রথম দিন। একজন ম্যাডাম এলেন ক্লাস নিতে। তার নামটা আজ আর মনে নেই। হাজিরা ডাকার সময় আমাদের এক বন্ধু জবাব দিয়েছিলেন, ‘উপস্থিত আপা’। (আমরা সেকেলে জমানার ছাত্রছাত্রী। তখনো ম্যাম-ট্যাম, আংকেল-আন্টি ডাকার কায়দা-কানুন তেমনভাবে শুরু হয়নি।) বাজখাঁই কণ্ঠে ‘আপা’ বলে উঠলেন, “এই ছেলে ‘আপা’ যে বলছো, শিক্ষকদের কি তোমরা ‘ভাই’ বলে ডাকো? তখন তো ঠিকই তাদের ‘স্যার’ বলো।” তার যুক্তিটা দারুণ লেগেছিল কিন্তু ব্যবহারটা একদমই ভালো লাগেনি। ফলে ‘ইউরোপ’ থেকে বিদায় হয়ে ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্কে’ ঢুকতে চেষ্টা করলাম। এই কোর্সটা পড়াতেন তাইবুল ইসলাম খান স্যার। তিনি ছিলেন মস্কো-ফেরত সম্ভবত, খানিকটা মস্কোপন্থি বামও বটে। তবে, এ রকম অমায়িক শিক্ষক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে খুব-একটা দেখিনি।
৩. তাইবুল ইসলাম খান স্যারকে ঘটনা খুলে জানালে, সব শুনে-টুনে তিনি বললেন, একজনের কোর্স একবার নিয়ে সেটা বদল করে, আরেকজনের কোর্স নেওয়াটা কি শোভন হবে? তারপরও আমাদের বেশ কয়েকজনার পীড়াপীড়িতে তিনি রাজি হলেন ঠিকই, তবে শর্ত দিলেন, প্রত্যককেই কিছু প্রশ্ন তিনি জিজ্ঞেস করবেন। উত্তর দিতে পারলে তবেই তার ক্লাসে জায়গা হবে, নতুবা নয়। একদিন ক্লাসে বিশ্বমানচিত্রটা দেয়ালে ঝুলিয়ে আমাকে ‘উত্তর আয়ারল্যান্ড’ দেখাতে বললেন। আইআরএ-র গেরিলাদের নামে তখন দুটো ভাত বেশি খাওয়ার অভ্যেস ছিল। লাফাতে-লাফাতে মানচিত্রের সামনে গিয়ে উত্তর আয়ারল্যান্ড দেখিয়ে দিলাম। তারপর আয়ারল্যান্ড কোথায়? ইন্দোচীন কোথায়? কেন নাম হলো ইন্দোচীন? আমেরিকার সঙ্গে ভিয়েতকঙদের যুদ্ধ এসব প্রশ্ন। যাক শেষ পর্যন্ত উতরে গেলাম।
৪. তাইবুল ইসলাম খান স্যার এত চমৎকার পড়াতেন! মন্ত্রমুগ্ধের মতো তার লেকচার শুনতাম। তার বিশ্লেষণের ভঙ্গিটা ছিল বাম-তরিকার, যদিও ক্লাস নেওয়ার সময় একটা প্রচ্ছন্ন নিরপেক্ষতার প্রলেপ মাখাতেন। সব মিলিয়ে স্যারকে পছন্দ হয়ে গেল। দুঃখের ব্যাপার এই যে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার পর স্যারের সঙ্গে দীর্ঘদিন আর দেখা হয়নি। কিন্তু মনে-মনে স্যারকে খুঁজতাম। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার ইচ্ছেও তেমন একটা হতো না।
৫. রামপাল প্রকল্প বাতিল এবং সুন্দরবন রক্ষার দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশের আয়োজন করেছিল ‘তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি’, ২০১৬ সালের ২৬ নভেম্বর তারিখে। রাজশাহী থেকে আমরা কয়েকজন একত্রে সেই সমাবেশে যোগ দিতে গিয়েছিলাম। একসময় হঠাৎ দেখি, আমাদের পাশেই তাইবুল ইসলাম খান স্যার দাঁড়িয়ে বক্তৃতা শুনছেন! স্যারকে এত দিন বাদে দেখে প্রায় জড়িয়ে ধরার অবস্থা। খুবই অবাক হলাম এটা বুঝে যে, স্যার সত্যি-সত্যি আমাকে চিনতে পারলেন। মেকি কোনো চেনা নয়, সত্যিকারের চেনা যাকে বলে। তার নমুনাও কিছু সঙ্গে-সঙ্গেই পেলাম।
৬. এই একজন মস্কোফেরত বা মস্কোপন্থিকে ‘শিক্ষক’ হিসেবে পেয়ে আমি শিক্ষার্থী হিসেবে উপকৃত হয়েছিলাম। আমাদের জানার চৌহদ্দিটা তিনি অনেক বা করে দিয়েছিলেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাদবাকি যে-কয়েকজন মস্কোফেরত/মস্কোপন্থি শিক্ষক ছিলেন (তা তিনি যে-বিভাগেরই হোন), তাদের কথাবার্তা শুনে মনে হতো মুখ তাদের চারখানা। হাত-পা সব চারখানা। যে-কারণে কোন কথাটা তারা মন থেকে বিশ্বাস করে বলছেন আর কোনটা শুধুই বলার জন্য বলছেন, সেটা বুঝতে পারতাম না। মাঝখান থেকে শুধু হাবুডুবু খেতাম। নাকানি-চোবানিও তাদের হাতে কম খাইনি।
৭. ১৯৯০-এর পরে ওইসব প্রগতিশীল, দেশবরেণ্য শিক্ষকের নতুন রূপ যেন দেখতে পেলাম। রাশিয়ার স্তালিন তো আগে থেকেই ‘বজ্জাত’। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হলো গোটা সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থাটাও। শুধু আহা মস্কো, কী অপরূপ শহর! মানে দাঁড়াল : সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব খারাপ, লেনিনকে কোনোভাবে ক্ষমাঘেন্না করে দেওয়া যায়, স্তালিন একটা নরপিশাচ কিন্তু রাশিয়া একটা চমৎকার দেশ। এই যে জোড়াতালি দেওয়া চিন্তা, এটা মস্কোওয়ালাদের পক্ষেই করা সম্ভব। কেননা, তাদের ভাবনায় ছিল ‘মস্কোতে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম!’
৮. আমাদের বিভাগেও বেশ কয়েকজন মস্কোপন্থি বামধারার শিক্ষক ছিলেন। এখন অবশ্য তারা ‘বাম’ কী জিনিস সেটা ভুলে গেলেই খুশি হন। দু-একজন বড় মহাজন ছিলেন, যাদের আবার খোদ মস্কোতেই বসবাসের অভিজ্ঞতা ছিল। ক্লাসে তারা সুযোগ পেলেই সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব আর স্তালিনের ‘শ্রাদ্ধ’ করতেন। গর্ভাচেভকে নিয়ে গর্ব করতেন। যেন এত দিনে আসল ‘ইমাম মেহেদি’ এসেছেন মানবজাতিকে উদ্ধার করতে! এদিকে আমাদের মনের অবস্থা তখন খুবই করুণ। যদিও সোভিয়েত ইউনিয়ন, স্তালিনের পর থেকে, অন্য রাস্তার পথিক, সেটা বই পড়ে জানতাম। কিন্তু বই পড়ে জানা আর বাস্তবের রাগ-অনুরাগের মধ্যে তো তফাত আছে! কাজেই এটা বললে একেবারেই মিথ্যে বলা হবে যে সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই আকস্মিক পতনের পরে মনে একটুও কষ্ট পাইনি। অন্যদিকে, আমাদের বিভাগে মস্কোওয়ালাদের সমানে খোঁচাখুঁচি চলছে। যেন রাশিয়ায় এত দিনে সত্যিকারের ঈদের উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে!
৯. এক দিন ক্লাস শেষে এক মস্কোওয়ালা শিক্ষকের সঙ্গে তার চেম্বারে বেশখানিকটা ঠুকোঠুকি লেগে গেল। মুখের ওপর বলেই ফেললাম : এত কিছুর পরেও ওই দেশে আপনারা চাকরি করতে গিয়েছিলেন কেন? : আহা, তখন কি আর সব বুঝতে পেরেছিলাম! : যখন বুঝলেন, তখন ফিরে এলেন না কেন? : আরে পাগল নাকি! চাকরি ফেলে কেউ দেশে চলে আসে? : কেন, সমর সেন তো ফিরে এসেছিলেন, উনি তো ‘প্রগতি’র সঙ্গে তার চুক্তি আর নবায়নই করেননি। : এটা তোমাকে কে জানাল? কোত্থেকে জানো এসব? : সমর সেনের ‘বাবু-বৃত্তান্তে’ আছে এসব। : ওরে বাব্বা, ক্লাসের পড়ার খবর নেই, উনি ‘বাবু-বৃত্তান্ত’ পড়ে বসে আছেন! আর শোনো আমি কেন ফিরে আসলাম না, সেই কৈফিয়ত কি তোমাকে দিতে হবে? ভুলে যাচ্ছো কেন আমি শিক্ষক আর তুমি ছাত্র! ধীরে-ধীরে তার ‘অহিংস’ মেজাজ থেকে দাঁত-নখ বেরিয়ে ‘আসে-আসে’ একটা ভাব। একটু ভয় তো পেয়েই যাই। পরীক্ষার নম্বরের কথা ভেবে আমি নিজে থেকেই গুটিয়ে গেলাম। তবে এইটুকু বুঝলাম, এসব ‘মুক্তমনা’ প্রগতিশীল শিক্ষকের সঙ্গে বিতর্ক তো দূরের কথা, কথা বলাটাই বৃথা।
১০. আপাতত আমার সব শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। শুধু কোনো একটি বিশেষ দিনে নয়; বছরের সবদিন, সব সময়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে চলে আসার সময় চিঙ্গিস আইৎমাতভের বিখ্যাত উপাখ্যানের চরিত্রের মতো করেই মনে-মনে হয়তো বলেছিলাম : “হে আমার প্রথম অনুচ্চারিত ভালোবাসা, তোমাকে বিদায়!’
আমাদের তিন পুরুষের শিক্ষক!
কে আদতে কার শিক্ষক এটা নিয়ে আমাদের বাসায় এক ধরনের ঠাণ্ডা যুদ্ধ মাঝেমধ্যে শুরু হয়ে যেত। অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম ছিলেন আব্বার চোখে ‘স্যার’ নন, ‘সাহেব’, তিনি বিটিভিতে অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন, তার বেশি কিছু নন। কিন্তু আমাদের দু-ভাইয়ের কাছে তিনি ছিলেন, স্যার। বোধকরি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন, সে-কারণেই। মুস্তাফা নূরউল ইসলাম স্যারের সঙ্গে আমার অবশ্য পরে ঘনিষ্ঠতা হয়েছে। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার চাকরির জন্য জোর সুপারিশ করেছিলেন, আমাকে দুবেলা ডাল-ভাতের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তা না হলে, আমার পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি পাওয়াটা ভীষণ কঠিন হতো!
২. সরদার ফজলুল করিম ছিলেন আব্বার ‘স্যার’। ছোটবেলা থেকেই তার মুখে ‘সরদার স্যার’ শুনে-শুনে একসময় তিনি আমাদেরও স্যার হয়ে উঠলেন। আমাদের এই শিক্ষককে নিয়ে আমরা যথেষ্ট গর্ব অনুভব করতাম। বিভিন্ন অনুবাদ গ্রন্থ আর ‘দৈনিক সংবাদ’-এ নানান দিবসে তার লেখা প্রকাশিত হলে আমাদের সবার মনে একটু চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হতো। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের স্বজনদের কাছেও তিনি ধীরে-ধীরে ‘স্যার’ হতে চলেছেন!
৩. বদরুদ্দীন উমর ছিলেন একান্তভাবেই আব্বার ‘স্যার’। রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বড় ভাই তার সঙ্গে একটু দূরত্ব বোধ করতেন। আমার কাছে তিনি ছিলেন খুব কাছের ‘স্যার’! আমার ভাবনাটা ছিল, তিনি শুধু কেন আব্বারই স্যার হবেন, তিনি তো আমারও ‘স্যার’! সংস্কৃতি পত্রিকা আর তার ঝাঁজালো লেখালেখির কারণেই তার প্রতি নৈকট্য অনুভব করতাম। মস্কোওয়ালাদের তিনি যখন যুক্তি দিয়ে শুইয়ে দিতেন, সত্যি কথা বলতে গেলে, একটা বিমলানন্দ অনুভব করতাম আমরা পিতা-পুত্রে। বদরুদ্দীন উমর আমাদের পরিবারের তরুণ সদস্যদের কাছেও এখন ‘স্যার’। তার বইপত্র তারাও নেড়েচেড়ে পড়তে শুরু করেছে।
৪. আনু মুহাম্মদের ব্যাপারে, সম্ভবত বয়সের দূরত্বের কারণে, আব্বা নীরব থাকতেন। কিন্তু তার লেখালেখির প্রশংসা করতেন। বড় ভাই তার ব্যাপারে আবার ভীষণ উচ্ছ্বসিত ছিলেন। আর আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে যাওয়ার পর থেকেই তিনি রীতিমতো আমাদের সবার আবেগের সঙ্গে যেন জড়িয়ে গেলেন! তেল-গ্যাস আন্দোলন, প্রতিবাদী বক্তব্য আর অনবদ্য সব লেখালেখির কারণে আমাদের বাড়িতে নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি এখন রীতিমতো যাকে বলে, ‘আমাদের সময়ের নায়ক’! আনু মুহাম্মদ স্যারকে নিয়ে আমাদের চেয়েও তাদের আবেগের উত্তাপ যেন একটু বেশিই! আবার সুন্দরবন নিয়ে ‘তোমরা বলো উন্নয়ন, আমরা বলি সর্বজন’-এর মতো আরও গান যে কেন তিনি লিখছেন না, এটা নিয়ে তাদের মধ্যে একটু আফসোসও রয়েছে!
৫. এই হচ্ছে আমাদের শিক্ষকদের একটি তালিকা। গুরুবাদে আস্থা কম বলেই বোধহয় সংখ্যাটা খুব বেশি নয়। আর শিক্ষকদের মধ্যে আমরা লেখাপড়া, লেখালেখির পাশাপাশি একটা পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক সচেতনতা সব সময়ই দেখতে চাইতাম। ফলে, আমাদের ‘স্যার’দের সংখ্যা বিস্ময়করভাবেই এত কম! এটা সত্যি যে আমাদের এসব শিক্ষক, তাদের কেউই হয়তো এই সমাজের তেমন মহাজন শ্রেণির নন, কিন্তু তাদের মেধা-মনন-জ্ঞানচর্চা, মানবিক উপলব্ধির গভীরতা আর রাজনৈতিক সক্রিয়তার জন্য আমরা সত্যিই গর্ব অনুভব করি। আমাদের শক্তি, সাহস, রাজনৈতিক সচেতনতার উৎস হলেন আমাদের এসব ‘স্যার’! পারিবারিকভাবেও সেই শক্তি-সাহস-রাজনৈতিক সচেতনতাকে পরিচর্যা করার সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাদের ‘স্যারদের’ সালাম! শ্রদ্ধার সঙ্গে তাদের প্রতি আমাদের তিন প্রজন্মের ভালোবাসাটাও জানিয়ে রাখতে চাই!
৬. ইউক্রেনিয়ান শিক্ষাব্রতী ভাসিলি সুখমলিনস্কি বলেছিলেন, ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীর আছে নিজস্ব আনন্দ। প্রত্যেকের জন্য আছে রৌদ্রোজ্জ্বল প্রভাত, প্রত্যেকের সামনে আছে অনন্ত জীবন।’ আমাদের এই শিক্ষকদের হাতে হাত রেখেই আমরা সেই জীবনের সন্ধানে যে এগিয়ে চলেছি।
৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, রাজশাহী।
লেখক অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়