দীঘিনালায় ছেলের হাতে বাবা খুন

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নের জামতলী বাঙ্গালিপাড়ায় মিন্টু মিয়া (৫১) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার ছেলে। এ ঘটনায় ছেলে জসিম উদ্দিন জনি পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পেয়ারা গাছ থেকে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘটনা দুটি ঘটে।

জানা যায়, গতকাল বিকেল ৩টার দিকে ছেলে জসিম উদ্দীন জনি তার পিতা মিন্টু মিয়াকে এলোপাতাড়ি ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ঘাতক ছেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের পিতা মো. মোবারক আলী বলেন, ‘আমার ছেলে মিন্টু মিয়া এবং নাতি জসিম উদ্দীন জনি দুজনই মাদকাসক্ত। মাদকাসক্ত অবস্থায় ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।’

দীঘিনালা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ মিল্টন রহমান জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক ছেলেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

অন্যদিকে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার চ-িগড় ইউনিয়নের শাখাইয়া গ্রামে পেয়ারা গাছ থেকে রোকেয়া আক্তার (৫৫) নামে চার সন্তানের জননীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রোকেয়া আক্তার ওই গ্রামের রিকশাচালক মো. নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী। তিনি মানসিক রোগী ছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।

মৃতের ছেলে রুবেল মিয়া জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার বড় বোন সামছুন্নাহার পেয়ারা গাছে মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। গত রাত ৩টা পর্যন্ত আমরা সকলে সজাগ ছিলাম। ঘুমাতে গেলে সকলের অজান্তে ঘর থেকে বের হয়ে মা গলায় ফাঁস দেয়। মানসিক সমস্যা থাকায় মা প্রায় সময়ই রাতের বেলায় ঘর থেকে বের হয়ে যেতেন।’

দুর্গাপুর থানার ওসি মো. শাহনুর-এ আলম জানান, ‘মৃতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে লাশ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হবে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’