আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়নস লিগে এবার একটু ভিন্ন স্বাদ পাবেন ফুটবলপ্রেমীরা। ৩১ আগস্ট শেষ হওয়া ইউরোপীয় দল-বদলে হয়েছে অনেক পরিবর্তন। তাছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগের সেরা দুই গোলদাতাকে এবার দেখা যাবে ভিন্ন দুটি ক্লাবের হয়ে খেলতে।
১৩৪ গোলে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্কোরার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ১২০ গোল নিয়ে লিওনেল মেসি তার পরই। চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে বেশি ৮টি হ্যাটট্রিকও করেছেন এই দুজন। তাই ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতা শুরুর আগে এ দুজনকে নিয়ে সব সময়ই থাকে বাড়তি আলোচনা। এবার আলোচনা একটু বেশি হওয়ার কারণ, মেসি চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথমবারের মতো খেলবেন বার্সেলোনা ছাড়া অন্য ক্লাবের (পিএসজির) হয়ে। আর রোনালদো ইউরোপ সেরার মঞ্চে ফিরছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে।
বার্সেলোনার হয়ে চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন মেসি। পিএসজি যে মেসিকে দলে ভিড়িয়েছে ইউরোপ সেরার শিরোপা জিততে তাতে সন্দেহ নেই। মেসি দলে আসার আগে গেল ৯ মৌসুমে ৭ বার লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পিএসজি। নেইমার-এমবাপেরা থাকলেও গেল মৌসুমে লিগ রানার্সআপ হয় প্যারিসের দলটি। ২০১৯-২০ মৌসুমে পিএসজি চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠলেও হারে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে। এদিকে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে খেলে আসার পর, পিএসজির হয়ে লিগ ম্যাচে মাঠে নামেননি মেসি ও নেইমার। তবে ক্লেরমো ফুতের সঙ্গে লিগ ম্যাচের জয়ের পর পিএসজি কোচ পচেত্তিনো জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচেই খেলবেন তারা দুজন। ‘তারা প্যারিসে ফিরেছে শুক্রবার রাতে এবং শনিবার অনুশীলন করেছে। আমি খুশি, কারণ তারা ক্লান্ত হলেও তাদের কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। বুধবারের ম্যাচের জন্য তারা দলে থাকবে।’
এদিকে রোনালদো ১২ বছর পর ফিরেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। ক্যারিয়ারে পাঁচ চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথমটা রোনালদো জিতেছিলেন ম্যানইউর হয়েই। রেড ডেভিলদেরও সবশেষ চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা সেটিই। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দ্বিতীয় অভিষেকের দিনই জোড়া গোল ৩৬ বছরের রোনালদো করে জানান দিয়েছেন গোল করার ক্ষুধাটা একটুও কমেনি তার।
রোনালদো কি পারবে আবারও ম্যানউইকে ইউরোপসেরা করতে? নাকি মেসি প্রথমবারের মতো জেতাবেন পিএসজিকে? উত্তর জানার জন্য নিয়মিত চোখ রাখতে হবে চ্যাম্পিয়নস লিগে।