অনলাইন বাজার ‘চালডাল’ পেল ৮৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ

অনলাইনে দৈনন্দিন বাজার-সদাইয়ের প্ল্যাটফর্ম ‘চালডাল’ ৮৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ পেয়েছে। নতুন এই বিনিয়োগ দিয়ে দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে চালডাল কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানিয়েছে ‘চালডাল’র প্রধান পরিচলন কর্মকর্তা ওয়াসিম আলিম। এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মটি ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠা পায়। এ বছর দেশের অন্তত ১৫টি নতুন শহরে ৫০টিরও বেশি পণ্যগুদাম স্থাপনের পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

 বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

এই মুহূর্তে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও যশোরে চালডালের ২৫টি পণ্যগুদাম আছে। এ ছাড়া কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি ও যমুনা সেতুর রেলওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের আবাসিক এলাকায় একটি সুপারশপ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিদিন ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার ১০ থেকে ১২ হাজার অর্ডার ডেলিভারি করে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ক্রেতাদের অভ্যাসে যে পরিবর্তন এসেছে, তাতে প্রতিদিনই অনলাইনে নিত্যপণ্যের কেনাকাটা বাড়বে। তাই আমাদের সেবার পরিধি বাড়াতে চাই, ক্রেতাদের আরও কাছে চলে যেতে চাই।’

চালডালের নতুন এ বিনিয়োগে প্রধান বিনিয়োগকারী লন্ডনভিত্তিক আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওয়াইজের সহপ্রতিষ্ঠাতা টাভেট হিনরিকাস, তরুণ প্রতিভাবানদের সহায়তাকারী প্ল্যাটফর্ম টপিকার মুখ্য পণ্য কর্মকর্তা স্টেন টামকিভি ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এক্সপ্লোরেশন ক্যাপিটাল। এর সঙ্গে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মীর গ্রুপ।

প্রতিষ্ঠার পর চালডাল যুক্তরাষ্ট্রের ভেঞ্চার প্রতিষ্ঠান ওয়াই কম্বিনেটর ও ফাইভ হান্ড্রেড স্টার্টআপের সহায়তা পেয়েছে। নতুন উদ্যোগ হিসেবে স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগ পেয়েছে চালডাল। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পর চালডাল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও আইডিএলসির বিনিয়োগ পেয়েছে।

করোনার আগে চালডাল দৈনিক আড়াই থেকে তিন হাজার অর্ডার ডেলিভারি দিত। করোনায় সামাজিক যোগাযোগ বন্ধ হলে অনলাইনে নিত্যপণ্যের কেনাকাটা বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০২০ সালে চালডালের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩০০ শতাংশ। এ বছর চলাচল কিছুটা সহজ হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত চালডালের ১২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।