মহেশখালী ইউপি নির্বাচন

আ.লীগ ও‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর প্রচারে পাল্টাপাল্টি হামলা

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকেরা। গতকাল শুক্রবার কুতুবজোম ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রচার গাড়িতে পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছে। পৃথক দুটি হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে হোয়ানক ইউনিয়নে এক মেম্বার প্রার্থীর ওপর প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কুতুবজোম ইউনিয়নে গতকাল সকালে নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট শেখ কামালের সমর্থকরা চশমা প্রতীকের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন খোকনের প্রচার গাড়ি ভাঙচুর করে দুজনকে আহত করে। পরে বিকেল ৩টার দিকে ইউনিয়নের মেহেরীপাড়া-কবিরপাড়া বাজার এলাকায় পাল্টা হামলা চালিয়ে মাইকসহ নৌকার প্রচার গাড়ি ভাঙচুর করে চশমার সমর্থকরা। এ সময় মো. সেলিম (২৪) নামে একজন আহত হন।

সেলিম বলেন, ‘মাইকিং করে আসার সময় হঠাৎ করে গাড়ি অবরোধ করে দা, ছুরি, বন্দুক, হাতুড়ি নিয়ে মারতে মারতে কিছু  দূর নিয়ে গিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় আমাকে ফেলে রেখে যায়।’

এ বিষয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকন বলেন, ‘নৌকার প্রার্থীর সমর্থকরা সকালে আমাদের গাড়ি ভাঙচুর করে দুজনকে আহত করে। পরে আমার সমর্থকরাও নাকি মারধর করেছে শুনেছি।’

নৌকার প্রার্থী শেখ কামাল বলেন, ‘তারা আমার প্রচার গাড়ির গতিরোধ করে ভাঙচুর চালায় এবং আমার কর্মীকে অপহরণ করে কুপিয়ে জখম করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

মহেশখালী থানার ওসি আবদুল হাই বলেন, ‘কুতুবজোমে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছে শুনেছি। অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নে কালালিয়া কাটায় জেলফেরত ডজন মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ফিরোজের হামলায় আহত হয়েছেন মেম্বারপ্রার্থী নুরুল আলম ও তার পিতা এবং সমর্থকরা। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটার পর নুরুল আলম বাদী হয়ে মহেশখালী থানায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।