ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩ ছাত্রীর করোনা শনাক্তের দুইদিন পর পাঠদান শুরু

ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা শিশু পরিবারের ১৩ জন ছাত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় বৃহস্পতিবার শ্রেণি পাঠদান বন্ধ থাকার পর শনিবার থেকে শুরু হয়েছে ক্লাস।

শনিবার সকালে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে থাকে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করতে দেয়। এরপর দূরত্ব বজায় রেখে শ্রেণি পাঠদান শুরু হয়।

শুক্রবার রাতে জেলা প্রশাসনের জরুরি বৈঠকে পাঠদান শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়।

গত বুধবার ১৩ জন শিক্ষার্থীর দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে শহরের বাহাদুরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ জন ছাত্রী, হাজীপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫ জন এবং সোনালী শৈশব বিদ্যালয়ের ৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়গুলোর সংশ্লিষ্ট শ্রেণির পাঠদান বন্ধ রাখে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বাহাদুরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারহানা পারভীন জানান, সরকারি নির্দেশনা মতে শ্রেণি পাঠদান নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যালয়ে উপস্থিতি সন্তোষজনক বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সরকারি শিশু পরিবারের মোট ৩৭ জন ছাত্রী তার বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছে। যেহেতু ওই পরিবারের ১৩ জন করোনায় আক্রান্ত, তাই অন্য শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করা হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জেলা প্রশাসনের জরুরি বৈঠকে পাঠদান করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাই গত বৃহস্পতিবার শ্রেণি পাঠদান বন্ধ রাখার পর পুনরায় পাঠদান শুরু হয়েছে। করোনায় আক্রান্তদের এবং তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

আক্রান্তরা শিক্ষার্থীরা সুস্থ আছেন বলে জানান তিনি।

সরকারি শিশু পরিবারের ২৫ জন ছাত্রীর নমুনা পরীক্ষার করা হয়। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৩ জন ছাত্রীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।