অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা মামলা

ফরিদপুরে একজনের মৃত্যুদন্ড জয়পুরহাটে ৭২ বছর জেল

ফরিদপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার অভিযোগে জিন্দার আলী ওরফে পলাশ (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আসামিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) প্রদীপ কুমার রায় গতকাল মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন।

একই দিন জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধারকী বড়াইল পাড়ায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় মোমেন আকন্দ (২৫) নামে এক যুবককে ৭২ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

ফরিদপুরে দন্ডিত জিন্দার আলীর বাড়ি জেলার বোয়ালমারী উপজেলার রূপাপাত ইউনিয়নের কদমী গ্রামে। রায় ঘোষণার সময় জিন্দার আলী আদালতে উপস্থিত ছিল।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ২০ মে কদমী গ্রামের মোসলেম মোল্লার মেয়ে কদমী আবু জাফর সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রুপালী খানম (২০) বাড়ি ফেরার পথে তাকে ধর্ষণ ও পরে কাস্তে দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

জয়পুরহাটে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় মোমেন আকন্দকে ৭২ বছরের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রুস্তম আলী। দন্ডিত মোমেন আকন্দের বাড়ি জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের ধারকী বড়াইলপাড়ায়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মোমেন সহযোগীদের সহায়তায় ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। তিন মাস পর পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার ও মোমেনকে আটক করে। গতকাল দুপুরে বিচারক মোমেন আকন্দকে অপহরণের মামলায় ৩০ বছর, ৭ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৭ বছরের জেল এবং ধর্ষণের মামলায় ৩০ বছর, ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৫ বছরের কারাদন্ডাদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফিরোজা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।