সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) মঙ্গলবার দুপুরে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের কালুপাড়া গ্রামের রুবেল (১৮), নয়ন (২০) ও নাজমুল হকের (২০) বিরুদ্ধে তাড়াশ থানায় ওই ছাত্রীর বাবা একটি অভিযোগ করেছেন।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শনিবার বাঁশের বেড়া দিয়ে ওই ছাত্রী ও তার পরিবারের লোকজনকে বাড়ি থেকে বের হতে বাধা দেয় অভিযুক্তরা। খবর পেয়ে তাড়াশ থানা-পুলিশ ওই বেড়া কেটে দেয়।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আশিক বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক অটো ভ্যান চালক এবং ওই ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাড়াশ আজিমনগর মহিলা কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অদূরে অটো ভ্যান থেকে নামিয়ে রাস্তার ওপর তাকে উত্ত্যক্ত করে ওই তিনজন। এ সময় প্রতিবাদ করলে তাকে প্রকাশ্যে মারধর করা হয়। এরপর শনিবার তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে রাখে।
ওই ছাত্রীর প্রতিবেশী এক গৃহবধূ বলেন, ওই ছাত্রী সহায় সম্বলহীন বাবা-মার সন্তান। ওই ছাত্রীর পরিবারের ওপর অমানবিক নির্যাতন করেছে অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে ওই ছাত্রীর কলেজের ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট বলেন, ওই ছাত্রী আমাদের বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। আগেও বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার সময় রাস্তার মধ্যে অভিযুক্ত নয়ন, রুবেল ও নাজমুল ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেছে।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, রবিবার দুপুরের দিকে বাঁশের বেড়া কেটে ওই ছাত্রী ও তার পরিবারের লোকজনের চলাচল বাধা মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।