দুর্গাপূজা উপলক্ষে বন্ধের শেষ দিন রবিবার দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে একদিনেই ৪২টি ট্রাকে করে আমদানি হয়েছে ১ হাজার ১৪৪টন পেঁয়াজ।
সরবরাহ বাড়ায় মাত্র একদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ২টাকা। একদিন আগেও বন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫০টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও তা কমে ৪৮টাকায় নেমেছে। এদিকে হিলি বাজারে খুচরাতে দাম কমেছে কেজি প্রতি ৫টাকার মতো।
পেঁয়াজের দাম কমায় কিছুটা খুশি হলেও আরও দাম কমানোর দাবি নিম্ন আয়ের মানুষদের।
হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা শরিফুল ইসলাম জানান, আমাদের তো পেঁয়াজ খাওয়াই ছেড়ে দিতে হবে। যে পেঁয়াজ কয়েক দিন আগে ২৫টাকা থেকে ৩০টাকায় কিনেছি সেই পেঁয়াজ বাড়তে বাড়তে একদিন আগেও ৫০টাকায় কিনেছি। তবে আজ অবশ্য পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে ৪৫ টাকা থেকে ৪৭টাকায় বিক্রি হচ্ছে, এতে করে একটু সুবিধা হয়েছে।
পেঁয়াজ বিক্রেতা শাকিল খান বলেন, দুদিন আগে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি ৪৮টাকা থেকে ৫০টাকা কেজি দরে। আজকে পেঁয়াজ বিক্রি করছি ৪৫ টাকা থেকে ৪৭টাকা কেজি দরে। মূলত ভারত থেকে বেশি পরিমাণ পেঁয়াজ ঢোকার কারণে ও দেশীয় পেঁয়াজের দাম কমার কারণে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কমছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ও দাম সহনীয় রাখতে ভারত থেকে বাড়তি দামে পেঁয়াজ আমদানি করার কারণে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসঙ্গে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমার কারণে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছিল।