পরিত্যক্ত কাপড়ের ডিজাইনার জিনা স্টোভাল

পরিত্যক্ত কাপড় দিয়ে পোশাক বানান নিউ ইয়র্কের জলবায়ু বিজ্ঞানী জিনা স্টোভাল। জলবায়ু সংকট সমাধানে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে টু ডেজ অফ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভিন্ন একটি ধারা তৈরির চেষ্টা করছেন তিনি। জিনা বিশ্বাস করেন, পরিত্যক্ত মানেই সেগুলো ব্যবহার অনুপযোগী নয়। লিখেছেন আরফাতুন নাবিলা   

জিনা স্টোভাল

জিনা স্টোভাল মূলত একজন জলবায়ু বিজ্ঞানী। জলবায়ু নিয়ে কাজ করতে গিয়ে খুব কাছ থেকে দেখেছেন পৃথিবী কতভাবে ক্ষতি হচ্ছে। চেয়েছেন এমন কিছু করতে যেটা অন্তত পরিবেশে ইতিবাচক একটি প্রভাব ফেলবে। এরই সূত্র ধরে নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে কর্মজীবনের সঙ্গে মিলিয়ে নিলেন। তিনি নান্দনিকভাবে সেলাই করায় দক্ষ ছিলেন, সঙ্গে জলবায়ু সমস্যা সমাধান নিয়েই ছিল তার কাজ। সব মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিলেন বাস্তবিক জীবনে এ দুইয়ের সমন্বয় করবেন। শুরু করলেন পরিত্যক্ত কাপড় দিয়ে পোশাক তৈরির কাজ। চাকরি করার সময়ে অনেকবার ভেবেছেন কীভাবে এই কাজ সামলাবেন। অল্প অল্প করে সময় দিলেও পরে সিদ্ধান্ত নেন নিজের উদ্যোগকে বড় করতে হবে। পরিকল্পনা মতো কাজ করার জন্য চার বছর আগে নিউ ইয়র্ক থেকে চলে গিয়েছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেসে। এখন বেশ ভালোভাবেই ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা করে নিয়েছে জিনার উদ্যোগ ‘টু ডেজ অফ’।

জিনা বলেন, “ভূ-তত্ত্ব নিয়ে লেখাপড়া করার সুবাদে আর জলবায়ু পরিবর্তনে ক্যারিয়ার থাকায় যে কোনো শহরে গিয়েই সেখানকার আবহাওয়া সম্পর্কে জানা আমার জন্য সহজ ছিল। আমি যে চিন্তাধারায় জীবনযাপন করতে চাই এবং যেভাবে পুঁজিবাদী প্রভাব থেকে দূরে থাকতে চাই তার পুরোটাই ধরে রেখেছি ‘টু ডেজ অফ’-এ।”

টু ডেজ অফ

টু ডেজ অফ নিয়ে যে জিনা অনেকদিন ধরে ভাবছিলেন এমন নয়। বলা যায়, নেশা থেকেই পেশার যাত্রা শুরু। জিনা বলেন, ‘ছোট থেকেই সেলাই করতে ভালোবাসতাম। কাপড়েই নানা ধরনের নকশা করতাম। কিন্তু এ নেশা যে একদিন ব্যবসা হয়ে দাঁড়াবে তা অবশ্য বুঝিনি। কয়েক বছর আগে জলবায়ু পরিবর্তনে ফ্যাশন নিয়ে আমি কিছু লেখাপড়া শুরু করি। বিষয়টি নিয়ে আসলেই আমি বেশি কিছু জানতাম না। যে পোশাকটি আমি পরছি সেটি কোথা থেকে এসেছে অথবা সেগুলো কোন কারখানায় তৈরি হয়েছে, সেই কারখানা অনিরাপদ বা অন্যের জন্য ক্ষতিকর কিনা সেগুলো আমি জানতাম না। ২০১৬ সালে বিষয়টি আমি খুব সিরিয়াসলি নিই। অনলাইনে সেগুলো শেয়ারও করি। বন্ধুদের সঙ্গে যুক্তিতর্কের পর বুঝতে পারি কিছুটা ধীর হলেও এই ফ্যাশন মার্কেট আসলে আমার জন্য পারফেক্ট। এই ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি খুব ছোট। বেশিরভাগ মানুষের এতে আগ্রহ নেই। আবার সবার পক্ষে কাপড় সংগ্রহ করে বানিয়ে নেওয়ারও সময় নেই। তাই নিজের মতো কাপড় বাছাই করে ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন কিছু যুক্ত করতে পারব এই সাহস আমার ছিল। তাই ভাবলাম নিজের রাস্তা নিজেই তৈরি করে নিই। আমি আমার প্রতিটি পোশাকের জন্য পরিত্যক্ত কাপড় থেকেই তৈরি করতাম। সেগুলো নিয়ে যেতাম লস অ্যাঞ্জেলেসে। যে কোনো নকশা করতে আমি অনেক সময় নিই। যেহেতু প্রতিটি টুকরোকে আমার কাজে লাগাতে হবে এবং সেগুলো দিয়েই নকশা দাঁড়াবে তাই আমার সময়টাও বেশি লাগে। আমি চেষ্টা করি কাপড়ের কোনো অংশ যেন নষ্ট না হয় এবং প্রতিটি অংশের যেন সঠিক রিসাইকেল হয়।’

যে কোনো ব্যবসাতেই শুরু থেকে প্রচুর সময় দিতে হয়। সেদিক থেকে টু ডেজ অফ বেশ দ্রুতই বেড়ে উঠেছে। জিনা স্টোভাল যখন নিজের প্রতিষ্ঠান শুরু করেন, তখন তিনি ৯-৫টা অফিস করতেন। ব্যবসায়িক যত কাজ আছে সেগুলো করতেন সন্ধ্যায় অথবা ছুটির দিনে। কমন্ডবেশি যাই হোক, শুরু থেকেই ব্যবসাতে পুরো সময় দিয়েছেন। এখন তো তার কাজ সবচেয়ে আলাদা।

জিনা স্টোভাল বলেন, ‘এখন সাধারণ একটি সপ্তাহ মানেও প্রচুর মিটিং। এর মধ্যে বেশিরভাগই মার্কেটিং, বিক্রেতা, ব্যবসায়িক উন্নতি এবং পরিবেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। সপ্তাহের অর্ধেকেরও বেশি সময় আমাকে কাটাতে হয় পোশাক তৈরির জন্য। আমাদের পোশাকের মূল কাজ হয় লস অ্যাঞ্জেলেসে। তাই বিক্রেতা, দর্জি, কাটিং মাস্টারসহ বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে আমাকে প্রচুর দৌড়াদৌড়ি করতে হয়। এ বছরটা কাপড় খোঁজার জন্য খুব কঠিন একটি সময় ছিল। বিশেষ করে পরিত্যক্ত কাপড়গুলো খোঁজার জন্য। আমি নিজ থেকেই এ কাপড়গুলো খুঁজতে ভালোবাসি। আমি প্রচুর পরিত্যক্ত কাপড় নিয়ে কাজ করি। সত্যি বলতে এগুলোর মধ্য থেকে মাঝে মাঝে হীরা বের হয়ে আসে। বাকি সময়টুকু কাটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, গ্রাহকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে, পোশাক ডিজাইন করতে। এভাবেই কেটে যাচ্ছে একজন ব্যবসায়ী হয়ে দিনের পর দিন কাটিয়ে নেওয়া।’

বিজনেস মডেল

জিনার ব্যবসা পুরোটাই অর্ডার-ভিত্তিক। আগে অর্ডার এলে তবেই তিনি কাজ শুরু করেন। ব্যবসায়ের অনেক ফাঁকফোকর বুঝে তবেই তিনি এ কাজে প্রবেশ করেছেন। জিনা বলেন, ‘আমার লেখাপড়া ছিল জলবায়ু পরিবর্তন ও তার সমাধান নিয়ে। চেয়েছিলাম ফ্যাশন জগতে নতুন কোনো পরিবর্তন আনতে। কাজ শুরুর আগে নিজেকে বারবার জিজ্ঞেস করি নতুন কোনো প্রোডাকশন হলে কেমন লাগবে। অর্ডার এলেই তবে আমি বানানো শুরু করি বলে পদ্ধতি খুব ধীরগতির হয়। তবে এতে কোনো ধরনের বর্জ্য থাকে না। আমার গ্রাহকরাও পোশাক তৈরি জন্য অপেক্ষা করেন। তাদের এ সাহায্যই আসলে পরিবেশের বর্জ্য কমানোর জন্য অনেক বড় একটি সাহায্য।

আমি কাজের শুরুতেই বুঝতে পেরেছিলাম সবার পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব নয়। কাজ করতে গিয়ে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে আমাকে। এর মধ্যে একটি চ্যালেঞ্জ ছিল, পরিত্যক্ত কাপড় দিয়ে নতুন কিছু বানানো।

বেশ কয়েকটি পোশাক বানানো হলেও কেউ না কেউ শেষ অবধি সেটি পেত না। কারণ এর সাপ্লাই যে সব সময় এক রকম থাকবে তা নয়। এর জন্য আমার কাছে একমাত্র সমাধান ছিল, অর্ডার পাওয়া কাজের সঙ্গে আরও কিছু কাজ বেশি করে করা। পরে দোকানদাররা বাড়তি পোশাকগুলো নিয়ে নিজেদের মতো বিক্রি করত। এসব কারণে পোশাক একটু বেশি হলেও সমস্যা হতো না। 

শুরুতে যারা পরিত্যক্ত কাপড় দিয়ে বানানো পোশাক চাইত তাদের একটি তালিকা করতাম। অবশ্যই গ্রাহকের পছন্দের কাপড় আর স্টাইলেই সেগুলো বানানো হতো। এতে গ্রাহকরা যেমন চাইতেন তেমন পোশাকই হাতে পেতেন। আর আমিও তৈরির আগে চাহিদা বুঝতে পারতাম। আমার কাছে মনে হয় আগে অর্ডার নিয়ে পরে বানানোটাই ভালো। এ কাজের জন্য আমি আরও নানা পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখেছি। তবে শেষ পর্যন্ত সবাই প্রি-অর্ডারই পছন্দ করে।’

গ্রাহকের স্বাচ্ছন্দ্য

পরিত্যক্ত কাপড়ের ফ্যাশন সবার কাছে ভালো লাগবে এমনটি আশা করেন না জিনা। তিনি জানেন যে কাপড় একদিন কেউ না কেউ গায়ে জড়িয়েছে অথবা গার্মেন্টস থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে সেগুলো সবাই ভালোভাবে গ্রহণ করবে না।

জিনা বলেন, ‘আমার কাজকে সবাই গ্রহণ করবে এমন আশা আমি করি না। যারা আমার পছন্দ ও স্বাদ বুঝবে, তাদেরই আমি আমার সত্যিকারের গ্রাহক মনে করি। প্রতিটি কাজ আমি আগে মূল্যবোধ দিয়ে বিচার করে এরপরেই শুরু করি। আমার ভালো লাগে এমন কাজই করা উচিত সব সময়। যেহেতু প্রি-অর্ডারে কাজ, তার ওপর একদম ভিন্ন ধারার একটি পণ্য নিয়ে, কাজেই এখানকার চ্যালেঞ্জ আর ভালোলাগাও ভিন্ন রকম।’

বিশেষ কাজ

জিনা এ মুহূর্তে একদম নতুন কোনো কিছু কাজ করছেন কি না জানতে চাইলে বলেন, ‘এমন তো সব সময় হতেই থাকে। আমি এমন একজন মানুষ যে কিনা সব সময়ই কিছু না কিছু করার চিন্তা করি। আমার ব্যবসার কাছে আমি কৃতজ্ঞ যে এমন কিছু করার সুযোগ আমি পেয়েছি। টু ডেজ অফ শুধু আপনার আলমারিতে রেখে দেওয়া কোনো পোশাক নয়, এটিকে বরং আপনি কীভাবে জীবনযাপন করতে চান তার একটি অংশ বলা যায়।

সম্প্রতি আমি আমার অফিসে প্রথম ইন্টার্ন এবং কর্মী নিয়োগ দিয়েছি। এই অনুভূতি সত্যিই অন্য রকম। তারা দুজনেই ব্যক্তি হিসেবে দারুণ, ব্রিলিয়ান্ট এবং সৃজনশীল। একদল এমবিএ করা শিক্ষার্থীর সঙ্গেও আমরা কাজ করছি। ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে তারা আমাদের বিভিন্ন তথ্য জানতে সাহায্য করছে। একটি ব্যবসার দুয়ার কীভাবে আরও খুলে দেওয়া যায়, কোন কোন দুয়ার বন্ধ করলে উৎপাদন আরও সহজ হবে সেসব খুঁজে বের করা আমার সব সময় ভালো লাগে। যদি খুব ছোটভাবেও কিছু করার সুযোগ আপনার থাকে, তাহলেও পরিবেশগত ও সামাজিকভাবে আপনি ভূমিকা রাখতে পারবেন। সামনে নতুন নতুন আরও উদ্যোগ নিয়ে আমাদের কাজ করার ইচ্ছা আছে।’

কেনাকাটায় প্রভাব

পরিবেশের অবক্ষয়ে কেনাকাটার প্রভাব কতটুকু তা নিয়ে সম্ভবত বেশি কেউ ভাবে না। তবে এটিকেই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে মানেন জিনা। তিনি বলেন, ‘জলবায়ু সংকট ও সমাধানে বাড়তি জিনিসের ব্যবহার কমানো জরুরি। সেটা যে কোনো ধরনের পণ্য হতে পারে। আপনি যদি আজ থেকে নিজে সচেতন হন, তার মানে পরবর্তী কয়েক বছরে যে ইতিবাচক প্রভাব হবে তাতে আপনার সরাসরি ভূমিকা রয়েছে।’ তাহলে কি জিনিস কেনাকাটা যতটুকু সম্ভব বাদ দিতে হবে? এর উত্তরে জিনার জবাব, ‘কেনাকাটাকে আমি কখনো খারাপভাবে দেখিনি। একজন বিজ্ঞানী হওয়ায় আমি জানি কীভাবে একটা নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে থেকে সবকিছুর ভারসাম্য রাখতে হয়।

জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশগত অবক্ষয়ের সমস্যা হলো, আমরা আমাদের গ্রহের প্রতিটি সম্পদের অতিরিক্ত ব্যবহার করি এবং বিস্ময়করভাবে এ হার অনেক বেশি। প্রতিটি জিনিস কেনার আগে আমি কয়েকবার ভাবি সে জিনিসটি আমার জীবনে কতটুকু গুরুত্ব বহন করছে। এরপর ভাবি সেটি কতদিন টিকবে। যতদিনই ব্যবহার করি না কেন, এক সময় সেটি আমাকে ফেলে দিতেই হবে। তখন ভাবি, জিনিসটি কী দিয়ে বানানো, সেটা কি মাটিতে মিশবে? কেউ কি এটা তৈরির জন্য আবাসস্থল ধ্বংস করছে? সর্বশেষ ভাবি, এটা তৈরি করতে কতটুকু শক্তি খরচ করতে হয়েছে। যদি দেখি সে জিনিসকে দ্বিতীয়বার ব্যবহার করার কোনো উপায় আছে তখন সেটিকে ফেলে দিই না।  যে জিনিস ইতিমধ্যে পরিবেশে আছে এবং সেটি দিয়ে নতুন কিছু বানানো যাবে, কখনো নতুন করে সেটি বানাই না। আমার ধারণা বেশিরভাগ মানুষই কম দামে, তৈরি করা এবং বাজারে পাওয়া যাচ্ছে এমন জিনিস বেশি খোঁজে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর এটা আলাদা একটা চাপ। অন্যের ওপর চাপ না দিয়ে তাই নিজে সমাধান খোঁজা জরুরি।’

বর্জ্যরে পরিমাণ যেভাবে কমান

নিজেদের ব্যবহার করা জিনিস দিয়েই বর্জ্যরে পরিমাণ বাড়ে। তাই চেষ্টা করা উচিত সবার আগে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা। জিনা বলেন, ‘ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী। মানুষের মধ্যে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। জলবায়ু সংকট সমাধানের জন্য আমাদের কাছে ইতিমধ্যেই সমস্ত প্রযুক্তি রয়েছে, বাকি শুধু সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগানো। আমার জীবনে যদি আমি লাইফ হ্যাক নিয়ে বলি তাহলে বলতে হয়, নিজে যে নীতি তৈরি করছি সেটা আগে নিজে মানা। আমি যে জিনিস কিনি সেটা সর্বোচ্চ ব্যবহারের চেষ্টা করি। আপনার বেলাতেও আমি তাই বলব। যে প্রতিষ্ঠান থেকে আপনাকে প্রচুর প্লাস্টিকের জিনিস দেওয়া হয় তাদের সম্ভব হলে এড়িয়ে চলুন। আমার টু ডেজ অফ খুব ছোট একটি ব্যবসা। অল্প করে হলেও যখন আমার ব্যবসায় লাভ আসা শুরু হয়, তখন থেকেই ইকো-ফ্রেন্ডলি প্যাকেজিং শুরু করেছিলাম। বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোরও রিসাইকেল পদ্ধতি চালু করা উচিত। আপনার ক্ষেত্রে বলব, আগে ভেবে দেখুন কোন জিনিসটি আপনার সবচেয়ে বেশি দরকার। সবশেষে, ব্যবহার শেষে প্লাস্টিকের জিনিস ফেলে না দেওয়ার চেষ্টা করবেন। বারবার ব্যবহার করুন, রিসাইকেল করুন অথবা দান করুন। কিন্তু ব্যবহারযোগ্য হলে ডাস্টবিনে ফেলে দেবেন না। পরিবেশ আমাদের সবার, একে সুরক্ষার জন্য এগিয়ে আসতে হবে আমাদের সবাইকেই।’