প্রথমবার ইংরেজি গানে সাব্বির নাসির, ভেন্টস ম্যাগাজিনে প্রিমিয়ার

কণ্ঠশিল্পী সাব্বির নাসির সম্প্রতি তার ‘আধা’ গানের জন্য  জিতেছেন ‘গ্লোবাল মিউজিক অ্যাওয়ার্ড ২০২১’ পুরস্কার। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন সুখবর দিলেন তিনি। ১৫ অক্টোবর, শুক্রবার প্রকাশিত হলো তার নতুন গান। তবে এটি বাংলা নয়, ইংরেজি গান। 'ড্রাউনিং’ শিরোনামের এই গান প্রকাশ করেছে বিশ্বের শীর্ষ আন্তর্জাতিক ভেন্টস ম্যাগাজিন । তারা এ গানটিকে ঘিরে একটি ফিচারও প্রকাশ করেছে। ‘ড্রাউনিং’ এর ফিচারিং করেছে এপিরাস। মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন শাহরিয়ার পলক।

দেশ রূপান্তরকে সাব্বির নাসির বলেন, ‘গানটা অনেক আগেই করেছিলাম, মিউজিক ভিডিও করা হয় নাই। নিউ ইয়র্ক টাইমসের একজন রাইটার আছেন ইয়ান উরবিনা। তার ‘আউটল ওশেন প্রজেক্ট’ এর জন্য তিনি বিশ্বের বিভিন্ন শিল্পীকে গাওয়ার জন্য আহ্বান করেন, সমুদ্র অঞ্চলে যেসব অপরাধ ঘটে তা নিয়ে গান করার জন্য। এপিরাস আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাজটা করার জন্য। তারা মিউজিক দাঁড় করান। এরপর মাস তিনেক আগে অডিও পার্টটা রিলিজ হয়। আজকে মিউজিক ভিডিওটা রিলিজ হলো। মিউজিক ভিডিওটা করতে কিছুটা সময় লেগেছে। পরে ভেন্টস ম্যাগাজিন আমার গানটি প্রিমিয়ার করার সিদ্ধান্ত নেয়। আজ তারাই প্রিমিয়ার করেছে।’

সাব্বির নাসির আরও বলেন, ‘গানটা করে খুবই ভালো লেগেছে। এমন প্রজেক্টে পারফর্ম করার সুযোগ খুব কমই আসে। আন্তর্জাতিক মাধ্যমে গান গাওয়াটা সত্যিই গর্বের, আনন্দের। এ গানের মিউজিক ভিডিওতে মানবপাচার, শিশুদের দিয়ে দেহ ব্যবসাসহ পৃথিবীর বুকে অর্থাৎ মাটি ও পানিতে ঘটে যাওয়া সকল অপকর্ম বন্ধ করার জন্য বলা হয়েছে। সীমান্ত তীরবর্তী এলাকার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। বড় বড় সমুদ্রতে জলদস্যুদের জাহাজ অপকর্মের ভার বহন করে নিয়ে যায়, এই নারকীয় অপরাধের ভারে আমরা যেন প্রতিনিয়ত ডুবে যাই । এই গান একটা ডাক, এটা এক প্রতিবাদের, বিপ্লবের সুর । আশা করি, গানের কথা, সুর, গায়কি এবং গানের ভিডিও সকলের পছন্দ হবে।’

প্রথমবার ইংরেজি গান করতে গিয়ে কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা? জবাবে তিনি বলেন, ‘এর আগেও ইংরেজি গান কাভার করেছি। সে অর্থে ইংলিশ লিরিকস নিয়ে সমস্যা হয়নি। তবে আমার ভয়েসটা একটু উচুতে কিন্তু তারা চার স্কেল নিচে সুর করেছিল। আমি যখন গানটা করতে যাই তখন এই ছোট সমস্যাটা হয়েছিল। পরে গানটা গাওয়ার পর গানে একটা প্রাণ এসেছে। ইন্টারন্যাশনাল শিল্পীরা হাই স্কেলে গান গায়, সেই জায়গা থেকে মনে করি নিজের আইডেনটিটি খুঁজে বের করতে পেরেছি এবং গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ডে যে গানটা করতে পেরেছি এতেই ভালো লাগছে।’