মানুষ গরু ও ছাগলকে চাল খাওয়াচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

নন-হিউম্যান কনজাম্পশনের কারণে চালের বাজার বেশি উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘মানুষ গরু ও ছাগলকে চাল খাওয়াচ্ছে। মৎস্য, পোলট্রি, হাঁসের খামারে ধান-চাল ও বাই-প্রোডাক্ট ব্যবহার হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে কত চাল নন-হিউম্যান কনজাম্পশনে যাচ্ছে সেই হিসাব নেই।’

বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উদ্‌যাপন উপলক্ষে শুক্রবার কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন দাবি করেন।

দেশে চালের দাম কিছুটা বেশি হলেও কোনো মানুষ অস্বস্তিতে নেই দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘চালের দাম বেশি হলেও কেউ না খেয়ে নেই। বছরের এ সময় আগে দুর্ভিক্ষ দেখা দিত। এখন কোনো মানুষ না খেয়ে নেই। বেশি দামে চাল কিনতে হলেও আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় জনগণের মধ্যে কোনো অস্বস্তি নেই।’

চালের দাম প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আগে চালের দাম কম ছিল। কিন্তু তখন একদিনের আয় দিয়ে দরিদ্ররা তিন-চার কেজি চাল কিনতে পারত না। এখন একদিনের আয়ের টাকায় ১০-১২ কেজি চাল কিনতে পারছেন তারা।’

চালের দাম বেড়ে যাওয়ার বড় কারণ হিসেবে নন-হিউম্যান কনজাম্পশনকে দুষছেন কৃষিমন্ত্রী।

মন্ত্রীর ভাষ্যমতে, ‘আমাদের উৎপাদিত চাল বহুক্ষেত্রে ব্যবহার হচ্ছে। মানুষ গরু ও ছাগলকে চাল খাওয়াচ্ছে। মৎস্য, পোলট্রি, হাঁসের খামারে ধান-চাল ও বাই-প্রোডাক্ট ব্যবহার হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে কত চাল নন-হিউম্যান কনজাম্পশনে যাচ্ছে সেই হিসাব নেই।’

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে প্রসঙ্গে রাজ্জাক বলেন, ‘আমি দেখেছি, যেখানে ফুলকপি চাষ হচ্ছে সেখানে তা বেচাকেনা চলছে ১০-১৫ টাকায়। কিন্তু ঢাকায় আনার পর একই জিনিসের দাম হয়ে যায় ৪০-৫০ টাকা। কারণ রাস্তায় চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। বাজার সিন্ডিকেটের দখলে। তাই হাত ঘুরে ঘুরে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। এর মূল কারণ দুর্বল বাজার ব্যবস্থাপনা। এ নিয়ে কাজ করতে হবে সংশ্লিষ্টদের।’