ইউনিয়ন পরিষদের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে মনোনয়ন জমাদানের শেষ দিন রবিবার ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
কুমিল্লার তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলা মিয়ার সমর্থকেরা এ অভিযোগ তুলেছেন। তবে নির্বাচন কমিশন এমন অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি বলে জানান।
উপজেলার ২ নম্বর জগতপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম মাওলা জানান, আমার মনোনয়ন ফরম জমা দিতে ভাতিজা এরশাদ জাহানকে (৩৮) উপজেলায় পাঠাই। ভাতিজা মনোনয়ন জমা দিয়ে উপজেলা পরিষদ থেকে বের হয়ে আসার পথে একদল দুর্বৃত্ত মনোনয়ন জমার রিসিভ নিয়ে নিতে চেষ্টা করে। রিসিভ না দেয়ায় তার ওপর হামলা চালায়। পরে আহত অবস্থায় ভাতিজাকে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত এরশাদ জাহান জানান, দুপুর আনুমানিক ২টায় আমি মনোনয়ন জমা দিয়ে বের হওয়ার সময় উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমানের ছেলে জনি ও তার সহযোগী রঞ্জুসহ ১৫ থেকে ২০ জন জনের একদল দুর্বৃত্ত আমাকে কিল ঘুষি মেরে অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে মারধর করে। আমার সঙ্গে থাকা মোবাইল ও নগদ টাকা নিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, পরে এস আই বিল্লাল আমাকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমানের ছেলে জনি বলেন, কে বা কারা হামলা করছে আমি কিছুই জানি না, এখন শুধু শুধু আমাকে জড়ানোর চেষ্টা করছে।
তিতাস থানার উপপরিদর্শক বিল্লাল বলেন, খবর পেয়ে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রাস্তা থেকে আহত অবস্থায় এরশাদ জাহানকে উদ্ধার করি। পরে চিকিৎসার জন্য দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোছাম্মৎ মোমিনুর জাহান বলেন, এ বিষয়ে আমাকে কেউ অবহিত করেনি।