সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে শুক্রবার শুরু হবে ফিফকো ওয়ার্ল্ড করপোরেট চ্যাম্পিয়নস কাপ ফুটবলের তৃতীয় আসর। এই আসরে বাংলাদেশের প্রথম দল হিসেবে অংশ নিতে যাচ্ছে লায়লা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বানদো ডিজাইন।
দেশের করপোরেট ফুটবলের অন্যতম সফল দল বানদো ডিজাইন, যারা বাংলাদেশ ও ভারতে অনুষ্ঠিত অনেক আসরের শিরোপা জিতেছে।
বিজিএমইএ কাপ ২০২০ আসরের শিরোপা জেতার সুবাদে ওয়ার্ল্ড করপোরেট চ্যাম্পিয়নস কাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে বানদো ডিজাইন। খেলা হবে ফুটসালের নিয়মে। প্রতি দলে থাকবেন ৫ জন খেলোয়াড়।
ওয়ার্ল্ড করপোরেট চ্যাম্পিয়নস কাপের আয়োজক ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব করপোরেট ফুটবল (ফিফকো), যার প্রধান কার্যালয় কানাডায় এবং বর্তমান সদস্য দেশ ৬০টি।
এর আগে ২০১৮ সালে কানাডার মন্ট্রিলে এবং ২০১৯ সালে মোনাকোতে এই বৈশ্বিক আসর অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তর্জাতিক এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য বিজিএমইএ-র সাবেক সভাপতি ও লায়লা গ্রুপের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান এবং বিজিএমইএ-র ডিরেক্টর ও শেলটেকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তানভির আহমেদ যৌথভাবে বাংলাদেশ দলের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন।
ফিফকোর বর্তমান প্রেসিডেন্ট আলবার্ট জুবিলি প্রথমবারের মত বড় আসরে বাংলাদেশের করপোরেট ফুটবল টিম পেয়ে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত।
এবারের আসরটির সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে ‘দুবাই স্পোর্টস কাউন্সিল অ্যান্ড টুরিজম দুবাই’। এ ছাড়া স্থানীয় আয়োজক হিসেবে রয়েছে ‘হাই ফাইভ ইভেন্টস’।
শুক্রবার বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের পর্দা উঠবে। রবিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় গ্র্যান্ড ফিনালের মধ্য দিয়ে আসরের সমাপ্তি হবে।
পাকিস্তান ভিত্তিক স্পোর্টস মিডিয়া কোম্পানি ‘স্পোর্টস ফেভার ৩৬০’-এর সহযোগিতায় টুর্নামেন্টের লাইভ কাভারেজ প্রচারিত হবে ফিফকো ওয়ার্ল্ড করপোরেট চ্যাম্পিয়নস কাপের ফেইসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল ‘ফিফকো টিভি’-তে।
বানদো ফুটবল দলের কর্ণধার সামিরা আলম। নেতৃত্বে আছেন বাংলাদেশের করপোরেট টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা ইমরানুর রহমান, যিনি ১৮৯টি অফিশিয়াল ম্যাচে ৩৭৭ গোল করেছেন।
এই দলে আরো আছেন- মোবারক, রাজিব, পিয়াস ও মেহতাবের মত মেধাবী করপোরেট ফুটবলার। আছেন নিবেদিত খেলোয়াড় শাকিল, নির্ভরযোগ্য ও পরিশ্রমী খেলোয়াড় মামুন এবং সৃজনশীল ও বানদোর কনিষ্ঠ ফুটবলার মৃদুল।