এক ঝলকে

সত্যজিৎ সম্মাননায় স্করসিস-জাবো

বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি নির্মাতা সত্যজিৎ রায় নামাঙ্কিত আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন অস্কারজয়ী হলিউডের নির্মাতা মার্টিন স্করসিস। তার বেশ কিছু সিনেমা পেয়েছে কালজয়ী ছবির মর্যাদা। ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’ থেকে ‘দ্য আইরিশম্যান’ সবই দারুণ সফল। একই সঙ্গে এই সম্মাননা পাচ্ছেন আরেক বিশ্বখ্যাত হাঙ্গেরিয়ান নির্মাতা ইস্তভান জাবো। তার অপেরা নির্দেশক হিসেবেও রয়েছে সমান খ্যাতি। আশির দশকে হাঙ্গেরিয়ান ভাষায় তার ছবি ‘মেফিস্টো’ জিতে নিয়েছিল অস্কার। ছকভাঙা ছবি তৈরির ক্ষেত্রে স্করসিস ও জাবো বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাসের একেকজন দিকপাল। তাদের পরিচালিত বহু ছবি বিশ্বজুড়ে দারুণভাবে সমাদৃত হওয়ার পাশাপাশি ভাবিয়ে তুলিয়েছে দর্শক ও ছবি সমালোচকদের। ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এমনটাই ঘোষণা করেছেন। চলতি বছর গোয়াতে অনুষ্ঠিতব্য ৫২তম ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব ইন্ডিয়ার (ইফি) মঞ্চে এ দুই খ্যাতনামা পরিচালককে ‘সত্যজিৎ রায় আজীবন সম্মাননা’য় ভূষিত করা হবে।

অস্কারে ভারতের প্রতিনিধি ‘কুজাঙ্গল’

২০২২ সালের অস্কারের জন্য ‘বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে ছবি পাঠাতে চলছে বিভিন্ন দেশের জোর প্রস্তুতি। এরইমধ্যে বাংলাদেশ থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে আলোচিত সিনেমা ‘রেহানা মরিয়ম নূর’। এবার জানা গেল, এ বছর ভারতের প্রতিনিধিত্বকারী সিনেমার নাম। ভারতের বিভিন্ন ভাষার ১৪টি সিনেমা জমা পড়ে অস্কারের জন্য। বাছাই প্রক্রিয়া বসে কলকাতায়। যদিও এ বছর তালিকায় ছিল না কোনো বাংলা সিনেমা। তবে ১৪টি সিনেমার মধ্যে ছিল বলিউডের আলোচিত দুই ছবি বিদ্যা বালান অভিনীত ‘শেরনি’ ও ভিকি কৌশল অভিনীত ‘সরদার উধাম সিং’। কিন্তু বিচারকরা বেছে নেন তুলনামূলক কম আলোচিত তামিল সিনেমা ‘কুজাঙ্গল’কে। ৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পায় ‘কুজাঙ্গল’। পরিচালক হিসেবে এটাই বিনোথরাজের প্রথম ছবি। নিজের পরিবার থেকেই গল্প বেছে নিয়েছেন তিনি। এশিয়ান ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড ২০২১-র জন্যও মনোনীত হয়েছে ছবিটি। এছাড়া নেদারল্যান্ডসের ৫০তম আন্তর্জাতিক রটার্ডাম চলচ্চিত্র উৎসবেও দেখানো হয়েছে ‘কুজাঙ্গল’। বাবা-ছেলের গল্প নিয়ে এই সিনেমা। ছেলেটির মা স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে চলে যায় বাপের বাড়ি। সেখান থেকে মাকে ফিরিয়ে আনতে পথচলা শুরু করে বাবা-ছেলে। রোদে পুড়ে বাবা-ছেলের পথ চলা রুক্ষ রাস্তা দিয়ে।

চার ঘণ্টা জেরার মুখে অনন্যা

বলিউড অভিনেতা চাঙ্কি পান্ডের মেয়ে উঠতি নায়িকা অনন্যা পান্ডের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে মাদক নিয়ে কথা হতো শাহরুখপুত্র আরিয়ান খানের! এমন অভিযোগের সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার এনসিবির জেরার মুখে পড়েন অনন্যা। শুক্রবার আবারও জেরার মুখোমুখি এই তারকা। জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) কার্যালয়ে আসেন অনন্যা পান্ডে। এসময় তার সঙ্গে বাবা চাঙ্কি পান্ডে এলেও তাকে বাইরে অপেক্ষা করতে হয়। টানা চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এদিন সন্ধ্যায় দপ্তর ছাড়েন অনন্যা। আরিয়ানকে গাঁজা সরবরাহ করাসহ মাদকচক্রের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে এনসিবির খুঁটিনাটি প্রশ্নের উত্তর দেন অনন্যা। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে, আরিয়ানকে গাঁজা সরবরাহের কথা অস্বীকার করে অনন্যা এনসিবিকে জানিয়েছেন, কখনোই কোনো প্রকার মাদক সেবন করেননি তিনি। আরিয়ানের সঙ্গে গাঁজা সরবরাহের কথা কেন চ্যাটে লিখেছিলেন, এ প্রসঙ্গে অনন্যার দাবি, ‘মজা করে’ বলেছেন। গাঁজা যে কোনো প্রকার মাদক, এটা তিনি জানতেন না বলেও এনসিবির জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন অনন্যা।