সীমান্তের ফেনসিডিল কারখানাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, দাবি ভারতের

সীমান্তের সব অবৈধ ফেনসিডিল কারাখানাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ভারত।

বুধবার ঢাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ভারতের নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ের ৭ম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো.আব্দুস সবুর মণ্ডল।

দিনভর অনলাইনে এই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, এবার উভয় দেশই জোর দিয়ে মাদকের নতুন রুটগুলোকে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছে, যাতে মাদক পাচারকারীরা কোন ধরনের সহজ পন্থার অবলম্বন করতে না পারে।

ডিজি পর্যায়ের বৈঠকে অনেকগুলো বিষয়ের ওপর আলোচনা করা হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। সভায় উভয় পক্ষই সমুদ্র পথকে ব্যবহার করে মাদক চোরাচালান, মাদক সন্ত্রাসীদের উদ্ভাবিত নতুন নতুন রুট সম্পর্কিত তথ্য বিনিময়, প্রিকারসর কেমিক্যাল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক নীতিমালা ও বিধিবিধান নিয়ে তথ্য বিনিময়, ফলপ্রসূ অপারেশনের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা বিনিময়, মাদক বিষয়ক প্রাসঙ্গিক অপরাপর সম্যক তথ্য বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাদক নিয়ে জিরো টলারেন্সের বিষয়টি উল্লেখ করে বৈঠকে জানানো হয়, মাদক শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যাই নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তার দিক থেকেও সংকট ডেকে আনতে পারে। এই জন্য উভয় দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে আরও জোরদার করে মাদক পাচার রোধ করা যেতে পারে।

ভারত সীমান্তের ফেনসিডিল কারখানাগুলো বন্ধ করে দেয়ার দাবি করলেও বাস্তবে গত দুই বছরে দেশে এই ধরনের মাদকের আমদানি বেড়েছে কেন এমন প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক মো.আব্দুস সবুর মণ্ডল বলেন, ফেনসিডিলের পাচার বেড়েছে নাকি কমেছে সেটার থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কীভাবে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

দেশে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার পাশাপাশি নতুন করে ক্রিস্টাল মেথ নামক আরও ভয়ংকর মাদকের আগ্রাসন সম্পর্কে জানতে চাইলে মহাপরিচালক বলেন, এ বিষয়ে শুধু মাদক বিভাগ নয়, সরকারের অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও সতর্ক রয়েছে। সবাই এ বিষয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করলে ভালো সুফল পাওয়া যাবে।