সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চিথুলিয়া ও বনগ্রামের বিভিন্ন স্থানের ৫ কিলোমিটার কাঁচা সড়কের ধারে শুক্রবার দিনব্যাপী ২ হাজার তালবীজ রোপণ করা হয়।
পূবরী থিয়েটার ও শিশু সংগঠন ভোর হলো এর উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তন রোধ,প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও বজ্রপাত থেকে জীবন বাঁচাতে এই তালবীজ রোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন,পূবরী থিয়েটারের সভাপতি বিশিষ্ট কবি ও লেখক মমতাজ উদ্দিন শেখ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন- কায়েমপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত বিআরডিবি কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আব্দুল হামিদ হেলাল, বগুড়া ইউডিপিএসের আইন শাখার ব্যবস্থাপক রুহুল কুদ্দুস রিপন, বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার ম.জাহান,শাহজাদপুর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান মিলন, ফখরুল মেমোরিয়াল কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের অধ্যক্ষ জাকারিয়া ইসলাম ঠান্ডু, পূরবী থিয়েটারের সহ-সভাপতি শাহবাজ খান সানি, বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা রূপা রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক সোহেল হোসেন, বাসদ নেতা আব্দুল আলীম ফকির, শিল্পী খাতুন, আবির হোসেন প্রমুখ।
এ তালবীজ রোপণ কর্মসূচিতে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাসিম উদ্দিন, আসান সরকার, জাহাঙ্গীর হোসেন, বলরাম সূত্রধর, প্রিন্স চৌধুরী, জীবন রহমান, মারজিন হোসেন, হারুন আলী, রোকন উদ্দিন, আনিছ আলী, মারুফ মোল্লা, নাহিদ হোসেন, রাকিব হোসেন, সাকিব হোসেন, আরিফুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, ইমন রহমান, ইমান আলী, অনিক, খোকা মিয়া, হাফিজুল ইসলাম, শামিম হোসেন, স্বাধীন, আরমান, জনি, বায়জিত, আব্দুল হক, রতন মিয়া প্রমুখ।
উল্লেখ্য, এ বছর বজ্রপাতে শাহজাদপুর উপজেলায় ১৩ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়। এর মধ্যে কায়েমপুর ইউনিয়নে বজ্রপাতে ৯ জন নিহত ও ১০জন আহত হয়। ফলে এ ইউনিয়নটি বজ্রপাতে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এই দুই গ্রামে তাল বীজ রোপন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যায়ক্রমে এ ইউনিয়নব্যাপী এ তালবীজ রোপণ কর্মসূচি চলবে।