বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক রহমান ও নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের ‘অশালীন’ মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে নারীবাদী সংগঠন ‘নারীপক্ষ’। গতকাল রবিবার সংগঠনটির দেওয়া এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান ৪ ডিসেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক রহমান ও নাতনি জাইমা রহমান সম্পর্কে যে নোংরা গালাগাল করেছেন এর জন্য তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়নি।’
এতে আরও বলা হয়, ‘বর্তমান সরকার দাবি করে যে তারা নারীবান্ধব। তাহলে নারীর প্রতি ন্যূনতম সম্মান রেখে কথা বলতে পারেন না সেই ব্যক্তিও কী করে পদে বহাল থাকেন? আমরা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করি।’
৪০ নারী অধিকারকর্মীর বিবৃতি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের অপসারণ দাবিতে বিবৃতি দিয়েছে ৪০ নারী অধিকারকর্মী। খালেদা জিয়া এবং তার নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যকে কুৎসিত ও যৌন হয়রানিমূলক উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
নারী অধিকারকর্মীরা হলেন নারীনেত্রী ফরিদা আখতার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মির্জা তাসলিমা সুলতানা, নাসরিন খন্দকার, ¯িœগ্ধা রেজওয়ানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জোবাইদা নাসরিন, সাংবাদিক সায়দিয়া গুলরুখ, নাসরিন সিরাজ, উইমেন চ্যাপ্টার সম্পাদক সুপ্রীতি ধর, শিক্ষক মিথিলা মাহফুজ। এছাড়া বীথি ঘোষ, তাসলিমা মিজি, শারমিন শামস্, ইশরাত জাহান উর্মি, পূরবী তালুকদার, মোশফেক আরা শিমুল, নাসরিন আক্তার সুমি, সুমি রেক্সোনা, দিলশানা পারুল, মনজুন নাহার, ফেরদৌস আরা রুমী, মাহফুজা মালা, প্রমা ইসরাত, লুনা নুর, নাইমা খালেদ মনিকা, সীমা দত্ত, তানিয়াহ মাহমুদ তিন্নী, সুমাইয়া নাসরিন সুমু, অপরাজিতা সংগীতা, অর্ণি আনজুম, শ্রবণা শফিক দীপ্তি, রিমঝিম আহমেদ,
শাফিনুর শাফিন, জেসমিন দীনা রায়, রেবেকা নীলা, লামিয়া ইসলাম, মারজিয়া প্রভা, প্রাপ্তি তাপসী, ইসাবা শুহরাত, নাজিফা জান্নাত, মোরসালিনা আনিকা।