৮ ডিসেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য ভারতের টেস্ট স্কোয়াড ঘোষণার দেড় ঘণ্টা আগে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয় বিরাট কোহলিকে। গত বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এমনটি দাবি করেন কোহলি। টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে বোর্ডপ্রধান সৌরভ গাঙ্গুলির বক্তব্যের সঙ্গেও দ্বিমত পোষণ করেন তিনি। তাতে স্পষ্ট কোহলি-সৌরভ দ্বন্দ্ব। কোহলির বক্তব্যের পর সৌরভ জানালেন, বিসিসিআই যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, কোহলিকে শোকজ করতে পারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কোহলির সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সভাপতি সৌরভ বলেন, ‘কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আমরা এটার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। বিষয়টা বিসিসিআইয়ের ওপর ছেড়ে দিন।’ সৌরভ আগে বলেছিলেন, টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব না ছাড়তে অনুরোধ করা হয়েছিল কোহলিকে। সেই অনুরোধ না রাখায় সীমিত ওভারে আলাদা দুজন অধিনায়ক রাখা। কোহলি বুধবার বলেন, ‘৮ ডিসেম্বর টেস্ট সিরিজের জন্য নির্বাচকদের বসার দেড় ঘণ্টা আগে (ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছাড়া নিয়ে) আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। নির্বাচকদের ফোন পাওয়ার আগে আমার সঙ্গে টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণার দিন থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত কেউ যোগাযোগ করেননি।’ ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে সরানোর ঘোষণা তাকে কীভাবে জানানো হয় তার ব্যাখ্যায় বলেন, ‘প্রধান নির্বাচক (চেতন শর্মা) আমার সঙ্গে টেস্ট দল নিয়ে কথা বলেন। আমরা সে বিষয়ে একমত হই। ফোন রাখার আগে জানান, আমাকে আর ওয়ানডে অধিনায়ক পদে রাখা হবে না।’