হ্যাগলি ওভালের দর্শকদের অভিবাদন তো ছিলই। বিদায়ী টেস্টে মাঠে নামার সময় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে যে অভ্যর্থনা পেয়েছেন রস টেইলর, তাকে তা ছুঁয়ে গেছে প্রবলভাবে। নিউজিল্যান্ডের সফলতম ব্যাটসম্যান বললেন, বাংলাদেশের কাছ থেকে পাওয়া সম্মান তার হৃদয়ে রয়ে যাবে সবসময়। বাংলাদেশের বিপক্ষে চলতি ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট দিয়েই লম্বা ফরম্যাটের ক্রিকেট থেকে বিদায় নিচ্ছেন টেইলর। এই মৌসুম শেষে বিদায় নেবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অন্য সংস্করণগুলো থেকেও।
ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের দ্বিতীয় দিন সকালে ডেভন কনওয়ে রানআউট হওয়ার পর ব্যাট হাতে নামেন ৩৭ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। মাঠে প্রবেশের সময় হ্যাগলি ওভালের দর্শকেরা তুমুল হর্ষধ্বনি ও করতালিতে স্বাগত জানান টেইলরকে। দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানায় গোটা মাঠ। মাঠের ভেতরে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা মুখোমুখি দুই সারিতে দাঁড়িয়ে ‘গার্ড অব অনার’ দেন এই কিউই গ্রেটকে। আম্পায়াররাও তখন সঙ্গী হন বাংলাদেশ দলের। বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হকের সঙ্গে করমর্দন করে টেইলর ক্রিজে যান। সেখানে তার সঙ্গী তখন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক টম ল্যাথাম। দিনের খেলা শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টেইলর কতৃজ্ঞতা জানান বাংলাদেশ দলের প্রতি। ‘ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আজ ক্রিজে যাওয়ার সময় সত্যিই সম্মানজনক একটি মুহূর্ত উপহার দেওয়ায়। এটা এমনকিছু, যা আমি কখনোই ভুলব না।’
শেষ টেস্টে অবশ্য বড় কিছু করতে পারেননি নিউজিল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলার রেকর্ডে ড্যানিয়েল ভেট্টোরিকে ছোঁয়া টেইলর (১১২টি)। এবাদত হোসেনের বলে আউট হওয়ার আগে মাত্র ২৮ রান করেন। ম্যাচের যা গতিপ্রকৃতি, তাতে আরেকটি ইনিংস পাওয়ার সম্ভাবনা তার সামান্যই। ১১২ টেস্টের ১১টি খেলেছেন টেইলর বাংলাদেশের বিপক্ষে। ৪৯.৭৩ গড়ে রান করেছেন ৭৪৬। এর মধ্যে ২০০ রানের ইনিংস আছে নিজ শহর ওয়েলিংটনে ২০১৯ সালের টেস্টে।