সীমান্তে লেথাল আর্মস ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে লেথাল আর্মস ব‌্যবহার করা হবে না মর্মে দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে কু‌ড়িগ্রা‌ম সদর উপজেলায় এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপজেলার ধরলা নদীর পূর্ব প্রা‌ন্তে র‌্যাব-১৩, রংপুর কর্তৃক শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।  

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব‌লেন, বাংলা‌দেশ-ভারত ভ্রাতৃপ্রতীম দেশ। সীমা‌ন্তের ওপা‌রে যারা থা‌কেন তা‌দের সা‌থে এপা‌রের সীমান্তবর্তী বা‌সিন্দা‌দের নানা কা‌জে সুসম্পর্ক থা‌কে। হয়‌তো ম‌নের টা‌নে নি‌জের অজা‌ন্তে অনেকে সীমানা অতিক্রম করে থাকেন। ‌হয়‌তো অনে‌কে যে কাজটি করা উচিত নয় সেটিও করে থাকেন। এজন‌্য বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে মা‌ঝে মা‌ঝে দুই এক‌টি ঘটনা ঘ‌টে যায়।

বাংলা‌দেশ-ভারত সীমা‌ন্তে বাংলা‌দে‌শি‌দের হত‌্যাকাণ্ড ব‌ন্ধে গৃহীত উদ্যোগ প্রস‌ঙ্গে মন্ত্রী ব‌লেন, দুই দে‌শের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বি‌জি‌বি-বিএসএফ পর্যা‌য়ে একাধিক আলোচনা হ‌য়ে‌ছে। আমা‌দের সিদ্ধান্তটা এমনই যে সীমান্ত হত‌্যা বন্ধ করা হ‌বে। আমরা দুই পক্ষই সিদ্ধান্ত নি‌য়ে‌ছি সীমা‌ন্তে লেথাল আর্মস ব‌্যবহার করা হ‌বে না। তারপরও মা‌ঝে মা‌ঝে কিছু ঘটনা ঘ‌টে যায়। সীমান্ত হত‌্যা বন্ধে আমরা সবাই আন্তরিক।

অনাহুত কারণে বিএন‌পির নেতাকর্মী‌দের বিরু‌দ্ধে মামলা দেওয়া হ‌চ্ছে বিএন‌পির এমন অভি‌যোগ প্রস‌ঙ্গে জান‌তে চাইলে মন্ত্রী ব‌লেন, অনাহুত কারণ কা‌কে ব‌লে আমি‌ সেটা জা‌নি না। যখন ভাঙচুর হয়, জীবননাশ হয়, অগ্নি সং‌যো‌গের ঘটনা ঘ‌টে তখন এসব কার‌ণে মামলা হয়।

কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নে ধরলা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের আ‌য়োজন ক‌রে র‌্যাব। এক হাজারেরও বেশি শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছি‌লেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছি‌লেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এমপি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আসলাম হোসেন সওদাগর, কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি পনির উদ্দিন আহাম্মেদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের এমপি এম এ মতিন, র‌্যাবের ডিজি অতিরিক্ত আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন, এডিজি (অপস্) কর্ণেল কে এম আজাদসহ রংপুর ও কুড়িগ্রামের অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।