দরপতনে কমেছে লেনদেনও

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচকের সাত হাজার পয়েন্ট অবস্থানে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গত মঙ্গলবার সূচকটি সাত হাজার পয়েন্ট পার হলেও গতকাল তা আবার আগের অবস্থানে ফিরে এসেছে। গতকাল ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া ৬২ শতাংশ শেয়ারের দর কমায় প্রধান মূল্যসূচকটি সাত হাজার পয়েন্টের নিচে নেমেছে। দরপতনে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও।

পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহের চতুর্থ দিন বুধবার আগের দিনের মতো সূচকের উত্থানে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টায় বেশির ভাগ শেয়ারের দাম বেড়েই কেনাবেচা চলতে থাকে। তবে এরপর থেকে সাম্প্রতিক সময়ে বাড়তে থাকা শেয়ার বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ার থেকে মুনাফা তুলে নেওয়া শুরু হলে চিত্র পাল্টাতে থাকে বাজারের। বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় সূচকও কমতে থাকে। শেষ পর্যন্ত প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিন থেকে প্রায় ৫৪ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৯৯৬ দশমিক শূন্য ৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিন চট্টগ্রামের পুঁজিবাজার সিএসইতে সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে। এ বাজারের প্রধান সূচক সিএএসপিআই ১৭০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২০ হাজার ৪৯৭ দশমিক ৩৬ পয়েন্টে।

পতনের বাজারে গতকাল ডিএসইতে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ বা ৩১২ কোটি ৭১ লাখ টাকা কমেছে। মোট এক হাজার ৬৬৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের কর্মদিবসে ছিল ১ হাজার ৯৭৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৭৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৮৮টির এবং কমেছে ২৪৩টির। অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭টির দর।