চিত্র নায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর বস্তাবন্দী লাশ পাওয়া গেছে সোমবার। পুলিশ জানিয়েছে, শিমুকে হত্যার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন তার স্বামী খন্দকার শাখাওয়াত আলীম নোবেল।
হত্যার পর বন্ধুর সহায়তায় লাশ গুম করেন স্বামী নোবেল। অথচ এক সময় ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন শিমু ও নোবেল।
নিহত শিমুর বোন ফাতিমা নিশা মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাদের (শিমু- নোবেল) ১৮ বছরের সংসার, তারা লাভ ম্যারেজ করেছিল।’
রাইমা ইসলাম শিমু দুই সন্তান ও স্বামীর সঙ্গে ঢাকার কলাবাগানের গ্রিন রোডে থাকতেন।
শিমু নিখোঁজ ছিলেন দুদিন ধরে। সোমবার সকালে শিমু নিখোঁজ জানিয়ে কলাবাগান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন তার স্বামী নোবেল।
সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, রবিবার সকালে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান শিমু। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।
সোমবার দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে শিমুর লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটি বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয়েছিল।
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী রমজানুল হক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, লাশটি টুকরা করে দুটি বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয়। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শিমুর গলায় একটি দাগ রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, রবিবার সকাল সাতটা থেকে আটটার মধ্যে যেকোনো সময় শিমুকে হত্যা করা হয়। যে গাড়ি ব্যবহার করে শিমুর লাশ গুমের চেষ্টা করা হয়েছে, সে গাড়ি জব্দ করে থানায় নিয়েছে পুলিশ। অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
আরো পড়ুন