দিন দিন বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েই চলেছে। আমাদের ভবিষ্যৎ যে বৈদ্যুতিক গাড়ি তা বেশ ভালোভাবেই আঁচ করা যাচ্ছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও ঝুঁকছেন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাণের দিকে। এবার বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মার্সিডিজ বেঞ্জ তাদের নতুন ইলেকট্রিক গাড়ি প্রকাশ্যে আনল।
সম্প্রতি জার্মানির বিলাসবহুল অটোমোবাইল সংস্থা মার্সিডিজ বেঞ্জ তাদের নতুন ইলেকট্রিক গাড়ি ভিশন ইকিউএক্সএক্স প্রকাশ্যে এনেছে। এ মুহূর্তে লাস ভেগাসে চলছে মার্সিডিজ বেঞ্জের কনজিউমার ইলেকট্রনিকস শো (সিইএস)। সেখানেই এই নতুন ইলেকট্রিক গাড়ি প্রকাশ করেছে ভিশন ইকিউএক্সএক্স। সংস্থার তরফে বলা হচ্ছে, এক চার্জে এই ইলেকট্রিক গাড়ি ঘণ্টায় এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি সফর করতে পারবে। বৈদ্যুতিক যানবাহনের দুনিয়ায় মার্সিডিজ বেঞ্জের এই গাড়ি এক যুগান্তকারী সৃষ্টি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চলতি বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই নতুন এই ইলেকট্রিক গাড়ির টেস্ট ড্রাইভ করা হবে। তুলনামূলক হালকা ওজনের এই গাড়ি ব্যাটারি একবার চার্জ দেওয়া হলে এক হাজার কিলোমিটার যেতে পারবে।
ম্যাগনেশিয়াম হুইল ও সিএফআরপি ডোর থাকবে এই গাড়িটিতে। এই গাড়ির ওপরে থাকবে আলট্রা থিন সোলার প্যানেল। এ ছাড়া এই গাড়ির ব্যাটারিতে থাকছে ৯০০ভি টেকনোলজি। তবে এই ব্যাটারি ইকিউএস ৪৫০+ ব্যাটারির তুলনায় ৫০% ছোট এবং ওজনে ৩০% হালকা। সব মিলিয়ে ব্যাটারির মোট ওজন দাঁড়িয়েছে ৪৯৫ কেজি।
মার্সিডিজ বেঞ্জের এই গাড়ির ভেতরে রয়েছে একটি সুবিশাল ৮-কে টাচ স্ক্রিন। এই স্ক্রিনের আকার-আয়তন ৪৭.৫ ইঞ্চি। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম। রিয়েল টাইম থ্রিডি নেভিগেশন সাপোর্ট রয়েছে এই গাড়িতে। এ ছাড়া রয়েছে ঘঅঠওঝ অটোমোটিভ সিস্টেম। সঠিক নেভিগেশন পাওয়ার ফলে চালক দ্রুত এবং সহজে ঠিক জায়গায় পৌঁছাতে পারেন।
মার্সিডিজ বেঞ্জ সংস্থার সিইও ওলা কায়েলিনিউইয়াস জানিয়েছেন, গ্রাহকের চাহিদায় ভবিষ্যতের ইলেকট্রিক গাড়ি যে রকম হতে পারে ঠিক সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে ভিশন ইকিউএক্সএক্স মডেল।