জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যায়ের সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে শুক্রবার সরকারি ঘোষণায় বলা হয়, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল-কলেজ ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যবস্থা নেবে।
এরপরই শুক্রবার দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এসব পরীক্ষার সময়সূচি পরে জানানো হবে।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যে সশরীর ক্লাস বন্ধ রেখে অনলাইন ক্লাসে ফিরেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও শুক্রবার সশরীর ক্লাস বন্ধ রেখে অনলাইন ক্লাসের ঘোষণা দিয়েছে।
করোনা সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের মার্চের মাঝামাঝিতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করা হয়। দফায় দফায় সেই ছুটি বাড়ানো হয়। এরপর খুলে দেওয়া হয় গত সেপ্টেম্বরে।
৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধসহ করোনার বিস্তার রোধে সার্বিক কার্যাবলি ও চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে ছয়টি নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।
শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা থেকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়—
ক. ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে।
খ. বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
গ. রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় সমাবেশ ও অনুষ্ঠানসমূহে ১০০ জনের বেশি সমাবেশ করা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে যারা যোগদান করবেন তাদের অবশ্যই ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট/২৪ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর সার্টিফিকেট আনতে হবে।
ঘ. সরকারি-বেসরকারি অফিস শিল্প কারখানাসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবশ্যই ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দায়িত্ব বহন করবেন।
ঙ. বাজার, মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট ও রেলস্টেশনসহ সব ধরনের জনসমাবেশে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
চ. বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মনিটর করবেন।