বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) তারকাবহুল দল মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার শুরুটা হলো টানা দুই হারে। উদ্বোধনী দিনে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ১৮৩ রান করেও জিততে পারেনি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন দল। এবার চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে তামিম ইকবালের ফিফটির পরও ১৬২ রান তাড়া করতে পারেনি তারা। হেরেছে বড় ব্যবধানে।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে শনিবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ৩০ রানে হারে ঢাকা। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৬১ রান করেছিল চট্টগ্রাম। জবাবে তামিমের ফিফটিতে আশাজাগানিয়া শুরু করে ঢাকা। কিন্তু তামিম বাদে অন্যদের কেউই জ্বলে উঠতে পারেননি।
শরিফুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদের তোপে জহুরুল ইসলাম অমি, মোহাম্মদ নাঈম, মাহমুদউল্লাহ, আন্দ্রে রাসেল, শুভাগত হোম- একে একে ব্যর্থ সবাই। শেষ পর্যন্ত ১ বল বাকি থাকতেই ১৩১ রানে গুটিয়ে যায় ঢাকা। অথচ ১১তম ওভার শেষে দলটির রান ছিল ৭৩/১।
১২তম ওভারে শরিফুল ইসলামের বলে তামিম বোল্ড হতেই বদলে যায় ম্যাচের রং। তামিম ৪৫ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৫২ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ রান আসে ইসুরু উদানার ব্যাট থেকে।
শরিফুল ৩৪ রানে ৪টি ও নাসুম ৯ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। ম্যাচসেরা হয়েছেন নাসুম।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রামের পক্ষে উইল জ্যাকস ঝড় তুলেছিলেন শুরুতে। সাব্বির রহমান ও বেনি হওয়েলের ব্যাটেও মিলল টি-টোয়েন্টির বিনোদন। ইনিংসগুলো খুব বেশি বড় না হলেও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের লড়াইয়ের পুঁজি পেতে সমস্যা হয়নি।
জ্যাকস খেলেন ২৪ বলে ৪১ রানের ইনিংস। ৬ চারের সঙ্গে হাঁকান ২ ছক্কা। চার নম্বরে নামা সাব্বির রহমান ১৭ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ২৯ ও পাঁচে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ ২৫ বলে ৪ চারে ২৫ রান করেন।
ছয় নম্বরে নামা বেনি হাওয়েল ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন। ১৯ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৭ রান করেন তিনি। ঢাকার পক্ষে ২৬ রান খরচায় সর্বাধিক ৩ উইকেট নেন রুবেল হোসেন।
মিরাজের নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে হেরেছিল ৪ উইকেটে। ঘুরে দাঁড়াতে অবশ্য সময় নিল না তারা। দ্বিতীয় ম্যাচেই তুলে নিল দারুণ জয়।