ছোটপর্দার তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সারিকা সাবাহ। ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’ নাটকের ঝুমুর চরিত্রটি তাকে তারকাখ্যাতি দিয়েছে। সমসাময়িক বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি
ব্যস্ততা...
এখন অভিনয় ব্যস্ততা একটু কম। পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত আছি। তাছাড়া একটানা কাজ করতে গিয়ে পরিবারকে সেভাবে সময় দিতে পারিনি। তাই পরিবারকে সময় দেওয়ারও চেষ্টা করছি। তবে ক’দিন আগে আমার অভিনীত সাড়া জাগানো ধারাবাহিক নাটক ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’-এর দ্বিতীয় সিজনের কাজ শুরু করেছি। এছাড়া ভালোবাসা দিবসের বেশ কয়েকটি একক নাটকের শ্যুটিং শেষ করেছি।
নতুন সিজন...
‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’-এর সিকুয়েলে নতুন কী চমক থাকছে সেটা জানতে হলে অবশ্যই নাটকটি দেখতে হবে। তবে এটুকু বলব, আগের নাটকের চরিত্রগুলো ছাড়া বাকি সব আলাদা থাকছে। আগের ঝুমুর আর নতুন ঝুমুরের সঙ্গে কোনো মিল খুঁজে পাবেন না দর্শক।
ওয়েব সিরিজে...
আসলে বেশ কয়েকটি ওয়েব সিরিজে কাজের কথা হয়েছিল এবং এখনো হচ্ছে। তবে মনের মতো গল্প-চরিত্র পাচ্ছি না বলে এখনো ওয়েবে কাজ করা হয়ে ওঠেনি। কারণ সবার মতো আমিও ওটিটি নিয়ে দারুণ আশাবাদী। ওটিটিতে যারা স্ট্রাগল করতে পারবে, নিজের মেধা দিয়ে কাজ করতে পারবে তারাই অবস্থান তৈরি করতে পারবে। অনেক গুণী শিল্পী আছেন যারা নানা কারণে নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি বা সুযোগ পাননি। তাদের কাজের একটি ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এটা খুবই ইতিবাচক একটি দিক।
ধারাবদল...
আশির দশকের কাজ তো বর্তমান সময়ে চাইলে হবে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধারাবদল হতেই হবে এবং সবাইকে সেটা মেনে নিয়েই সময়ের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। অনেক সময় কাজ ভালো না হলেও নায়ক-নায়িকা জনপ্রিয় হওয়ায় সেটা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে আমি চাই নায়ক-নায়িকা থাকুক বা না থাকুক, ভালো কাজ নিয়ে আলোচনা হোক, প্রশংসিত হোক।
ভিউ ও কপি চর্চা...
প্রযোজক লগ্নি ওঠাতে ভিউয়ের চিন্তা করবেন এটা স্বাভাবিক। তবে ভিউয়ের সঙ্গে কাজটিও ভালো হতে হবে। আর একটি নাটক জনপ্রিয় হলে সেটাকে কপি করে একাধিক নাটক নির্মাণের একটা চর্চা রয়েছে। যদি কপি করে ভালো কিছু হয় বা সমাজে ভালো প্রভাব পড়ে তাহলে দোষের কিছু নেই। এই যে ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’-এর অনুকরণে অনেকেই নাটক নির্মাণ করছেন। এতে এক সময়ে নাটকে চরিত্র কম এবং পরিবারের গল্প না থাকার যে অভিযোগ ছিল, সেটা কিন্তু কমে এসেছে।