বাংলাদেশের জার্সিতে আগামী ৬ মাস টি-টোয়েন্টি খেলতে দেখা যাবে না তামিম ইকবালকে। তবে টেস্ট ও ওয়ানডে চালিয়ে যাবেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নিজের ফ্র্যাঞ্চাইজি মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার হয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসে এমনটাই জানান দেশের এই ড্যাশিং ওপেনার।
তবে ৬ মাস পর বড় কোনো ইভেন্টে দল বা তামিম নিজে যদি মনে করেন ফেরা দরকার তখন প্রত্যাবর্তনের কথা ভাববেন জানিয়েছেন তিনি। আপাতত সীমিত ওভারের এই ক্রিকেট থেকে ‘বিরতি’ নিয়ে টেস্ট ও ওয়ানডের দিকে মনোযোগ দিতে চান ৩২ বছর বয়সী ব্যাটার।
সাংবাদিকদের সামনে টি-টোয়েন্টি থেকে ৬ মাসের বিরতি প্রসঙ্গে তামিম বলেন, ‘আপনারা তো জানেন, কয়েকদিন ধরে আমার টি-টোয়েন্টি ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ আলোচনা চলছিল। গত কয়েকদিন বিভিন্ন ধরনের মিটিং হয়েছে আমার সঙ্গে। বিসিবি প্রেসিডেন্ট ও বিশেষ করে জালাল ভাইয়ের (জালাল ইউনুস) সঙ্গে। ওনারা চাচ্ছেন আমি টি-টোয়েন্টি চালিয়ে যাই। বিশেষ করে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তবে আমি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট আগামী ৬ মাস বিবেচনায় রাখছি না। এই ৬ মাসে আমার পুরোপুরি ফোকাস থাকবে টেস্ট ও ওয়ানডের দিকে।’
দলে তরুণদের সুযোগ দেওয়া এবং নিজের প্রস্তুতির ঘাটতির কারণে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেননি তামিম। এবারও তিনি দলে সুযোগ দিতে চান তরুণদের। মনে করছেন, ৬ মাস পর বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টিতে এমন অবস্থায় দাঁড়াবে যেখানে তাকে আর প্রয়োজন হবে না।
তবে ফেরার ইচ্ছেটাও একেবারে উড়িয়ে দিলেন না তামিম, ‘৬ মাস আমি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি নিয়ে কিছুই ভাবব না। আর আশা করব, যে তরুণ ছেলেরা খেলবে বা যে বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি খেলবে তারা এতই ভালো করবে যে আমাকে আর প্রয়োজন পড়বে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে। তারপরও ৬ মাস পর, যেখানে বোর্ড বা টিম ম্যানেজমেন্ট যদি মনে করে আমার দরকার আছে বিশ্বকাপের আগে, তখন সঙ্গে আমিও যদি প্রস্তুত থাকি তখন ফেরা নিয়ে আমরা আলোচনা করব।’
বাংলাদেশের হয়ে তামিম সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, ২০২০ সালের মার্চে। ৭৮ টি-টোয়েন্টিতে ১১৬.৯৬ স্ট্রাইক রেটে ৭ ফিফটি ও এক সেঞ্চুরিতে ১৭৫৮ রান করেছেন তিনি।