ধূমপান ফুসফুস, হৃৎপিণ্ডসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে জানার পরও অনেকে বাজে অভ্যাসটি ত্যাগ করতে পারেন না। বিশেষজ্ঞরা জানান, এটা এমন একটা অভ্যাস, যা ছাড়া কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। কারণ যেকোনো অভ্যাসই মানুষ চাইলে ত্যাগ করতে পারে। জেনে রাখুন ধূমপান ছাড়ার ক্ষেত্রে করণীয়
মনের সঙ্গে যুদ্ধ : ধূমপান ছাড়ার প্রথম পদক্ষেপ মানসিক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধূমপান ছাড়ার ক্ষেত্রে শরীর যতটা না প্রভাব ফেলে তার থেকে বেশি প্রভাব বিস্তার করে মন। এ জন্য প্রথমে নিজের মনে চিন্তা করুন, কেন আপনি ধূমপান করছেন। ধূমপান স্বাস্থ্যের কী কী ক্ষতি করছে, সেগুলো ভাবার চেষ্টা করলেই এই অভ্যাস ত্যাগ করার মানসিক জোর পাবেন।
কাউন্সেলিং : ধূমপান ত্যাগের জন্য অনেক স্থানে বিভিন্ন ক্লাস করানো হয়। কাউন্সেলিং করানো হয়। প্রয়োজনে সেগুলোতে যোগ দিতে পারেন। মনোবিদের পরামর্শও নিতে পারেন।
পরিবার : আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিবারের সদস্য, প্রিয়জন, বন্ধুরা অনেক বেশি প্রভাব রাখে। ধূমপান ত্যাগ করতে চাইলে তাদের সঙ্গে কথা বলুন। পরামর্শ নিন এবং সেগুলো মেনে চলার চেষ্টা করুন।
নিজেকে সময় দিন : নিজের পছন্দমতো জায়গায় বেড়াতে যাওয়া কিংবা পছন্দের খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। গান শোনা, মুভি দেখার মতো কাজও করতে পারেন।
ধূমপানের উপকরণ : প্রথমেই বাড়ি থেকে ধূমপানের সব উপকরণ সরিয়ে ফেলুন। এ ছাড়া ধূমপায়ীদের সঙ্গ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। এতে সরঞ্জাম কাছে না থাকায় ধূমপানের ইচ্ছা ধীরে ধীরে কমবে।