‘পরিদর্শন’ আর ‘আশ্বাসে’ পেরিয়ে গেছে পাঁচ বছর। কিন্তু নতুন করে নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি পটুয়াখালীর নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুরের স্লুইসগেটটির। ফলে বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে যায় বসতবাড়ি, পুকুর-ঘের, ফসলি জমি। বছরের পর বছর এমন দুরবস্থা নিয়ে ১০ হাজার মানুষ জীবন যাপন করছেন।
স্থানীয়রা জানান, ২০১৬ সালের ২১ মে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানির চাপে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আন্ধারমানিক নদী তীরের দৌলতপুর গ্রামের সিঙ্গেল ভেল্ট (এক কপাট) স্লুইগেটটি সম্পূর্ণ ভেঙে যায়। ফলে ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী দুই বছর লবণ পানি প্রবেশ করে স্লুইসগেটের উভয় তীরের জনবসতির প্রায় ১০ হাজার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হয় ব্যাহত। ইউনিয়নের ৪ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ১২টি গ্রামের ফসল উৎপাদন চরমভাবে হুমকির মুখে পড়ে। আবাদি জমিতে চাষাবাদে দেখা দেয় ফসলহানি। পুকুরের মাছ মরে যায়। গো-খাদ্যের সংকট প্রকট হয়ে পড়ে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বছর তিনেক আগে ভাঙা অংশে মাটি ফেলে ভরাট করে দেয়। এতে লবণ পানি প্রবেশ করতে না পারলেও বর্ষা মৌসুমে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। তলিয়ে যায় বেড়িবাঁধের অভ্যন্তরের বসতবাড়ি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড কলাপাড়া সার্কেলের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ হোসেন বলেন, ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার প্রকল্প প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। চলতি বছরও প্রকল্প প্রস্তাবনাসহ প্রকল্প ব্যয় চাওয়া হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে নতুন সøুইসগেট নির্মাণ করা যাবে।