ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পৃথক অগ্নিকা-ের ঘটনায় একটি স্কুল, ১৩টি দোকানঘর ও ১৮টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গত শুক্রবার রাতে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন:
ঝালকাঠি : কাঁঠালিয়ার আমুয়া বন্দর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে আমীর মোল্লা মাধ্যমিক স্কুলের তিনটি টিনশেড কক্ষসহ ৮টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার রাত সোয়া ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এসময় মালামাল উদ্ধার করতে গিয়ে আহত হয়েছে অন্তত পাঁচজন।
স্থানীয়রা জানায়, রাতে বাজারের নৈশপ্রহরীরা নেছারের হোটেলে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয় মসজিদে মাইকিং করে। খবর পেয়ে কাঁঠালিয়া ও বামনা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সীতাকুন্ড (চট্টগ্রাম) : সীতাকুন্ডে অগ্নিকান্ডে জেলেদের ১৮টি ঘর পুড়ে গেছে। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ফকিরহাটের পশ্চিমে জেলেপাড়ায় এ অগ্নিকান্ড ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একটি ঘরে আগুন দেখে কয়েকজন চিৎকার করলে সবার ঘুম ভাঙে। ফলে আগুনে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে শুকনা মৌসুম ও বাতাসের প্রবাহ থাকায় আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ বলেন, প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) : গজারিয়ার বালুয়াকান্দিতে আগুনে পুড়ে ৫টি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে বটতলা এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন হাবিব মার্কেটে এ অগ্নিকান্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।
মার্কেট মালিকের ছেলে হাসিব জানান, মার্কেটে বৈদ্যুতিক সংযোগ বন্ধ ছিল, দোকানে লোকজনও ছিল না, আমাদের মনে হয়েছে পূর্বপরিকল্পিতভাবেই কেউ এ কাজ করেছে।
গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা রঞ্জিত মল্লিক বলেন, আমরা তদন্তের জন্য নির্দেশনা চেয়েছি।
গজারিয়া থানার ওসি রইছ উদ্দীন বলেন, ‘বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি।’