কারিশমার জীবনের অন্ধকার অধ্যায়

বলিউডে নামি পরিবারের মধ্যে অন্যতম কাপুর পরিবার। তাদের আভিজাত্য ও ব্যক্তিগত জীবন সম্পূর্ণ আলাদা। তাদের ব্যক্তিগত জীবনের নানা গল্প শুনতে আগ্রহী থাকেন ভক্তরা। এবার সামনে এলো বলিউডের নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় নায়িকা কারিশমার জীবনের এক অন্ধকার দিক। কারিশমার দাম্পত্য জীবন সুখের হয়নি। দীর্ঘ ১৩ বছরের বিবাহিত জীবনে ইতি টানেন এই অভিনেত্রী। কিন্তু কেন বিচ্ছেদের পথ বেছে নিয়েছিলেন তিনি? কারিশমা নিজেই এ বিষয় মুখ খুললেন। কারিশমা জানান, বিয়ের পর নিমেষে অশান্তির কালো ছায়া নেমে আসে তার জীবনে। রাতারাতি হাসি-উজ্জ্বল-প্রাণবন্ত জীবনটা কেমন জানি নির্জীব হয়ে যায়। শুরু হয় নিত্যদিনের অশান্তি ও ঝামেলা। বিয়ের পরদিন থেকে স্বামী সঞ্জয় কাপুর এবং শ^শুরবাড়ির লোকজন তার ওপর মানসিক অত্যাচার আরম্ভ করেন। এখানেই শেষ নয়, প্রতিটা নারীর কাছে সুন্দর মধুচন্দ্রিমার স্বপ্ন থাকে। সেই হানিমুনের রাতেই তাকে নিলামে তোলেন স্বামী, কারিশমার মূল্য নির্ধারণ পর্যন্ত করেন, জোর করেন তার বন্ধুর শয্যা সঙ্গিনী হওয়ার। কারিশমা এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সঞ্জয় তাকে মারধর পর্যন্ত করেছিলেন। কারিশমা আরও জানান, তাদের বিয়ের পরও সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে ছিলেন সঞ্জয়। এ-সম্পর্কের বিরুদ্ধে বলতে গেলে কারিশমাকে নানাভাবে অত্যাচার করতেন সঞ্জয়। শেষ পর্যন্ত আর সহ্য করতে পারেননি।

তিনি আরও জানান, ২০১২ সালে দুই সন্তানকে নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন। কিছু দিন বাদে ডিভোর্স ফাইল করেন। সঞ্জয় আর তার দাম্পত্যের কাদা যাতে কোনোভাবে সন্তানদের জীবন কলুষিত করতে না পারে, সে কারণেই বিচ্ছেদের পথে এগিয়েছিলেন কারিশমা। ডিভোর্সের পর সন্তানদের নিয়ে মুম্বাই চলে আসেন তিনি।  মুম্বাইয়ে আরেক সংবাদমাধ্যমকে কারিশমার স্বামী প্রসঙ্গে রণধীর কাপুর বলেছিলেন, ‘সঞ্জয় একেবারেই নিম্ন শ্রেণির মানুষ।’