বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ায় বোরো আবাদে শঙ্কা

দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে ডিপটিউবওয়েলের অনুমোদন পেলেও বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ায় ১৮টি ডিপটিউবওয়েলের মালিক তা চালু করতে পারছেন না। এখনো চালু না হওয়ায় জমি প্রস্তুত করে রাখলেও পানির অভাবে বোরো চাষাবাদ করতে পারছেন না কৃষকরা। এতে করে বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন তারা।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিস কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ২৬০টি গভীর নলকূপ রয়েছে, এছাড়া বিদ্যুৎচালিত অগভীর নলকূপ ৩১০টি ও ডিজেলচালিত রয়েছে ৮২০টি। চলতি মৌসুমে ১৮টি বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যেগুলোতে দেওয়া হচ্ছে না বিদ্যুতের সংযোগ।

হিলির সিংড়াপাড়া গ্রামের কৃষক আবদুল খালেক বলেন, ‘জমিতে সার দিয়ে প্রস্তুত করে রেখেছি, পানি হলে জমি লাগাব। কিন্তু এখন পর্যন্ত পানি না পাওয়ায় আমাদের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক এলাকার বোরো ধান লাগানো শেষ হয়ে গেছে। বোরো সাধারণত একটু অগ্রিম লাগালে ভালো ফলন পাওয়া যায়, কিন্তু ফাল্গুন মাসে লাগালে তো তেমন ফলন পাই না আমরা।’

হিলির হরেকৃষ্টপুরের ডিপটিউবওয়েল মালিক মোজাফ্ফর রহমান বলেন, ‘আমার ওখানে ২০-৩০ বিঘা জমি রয়েছে যেগুলো উঁচু। ওই জমিতে অন্য ডিপ থেকে পানি আসতে পারে না উঁচু হওয়ার কারণে। ২০১৮ সালে আমি ডিপটিউবওয়েলের লাইসেন্স গ্রহণ করলাম। কিন্তু বিদ্যুতের জন্য আবেদন করেও তা পাইনি। পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, ছয়টি পোল লাগবে, ২ লাখ ৮১ হাজার টাকা চায়।’

পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ হিলি অফিসের এজিএম আবদুল মোতালেব বলেন, ‘আমাদের মিটার ছিল না, এখন পেয়েছি। আশা করছি দ্রুত সবাইকে মিটার দিতে পারব।’