যুবদল নেতা হত্যায় আ.লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৮ নেতার নামে মামলা

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক  আকবর আলীকে (৪৬) গুলি করে হত্যার ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে বেলকুচি থানায় নিহত আকবর আলীর স্ত্রী হাসি খাতুন বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

আসামিরা হলেন- সয়দাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নবীদুল ইসলাম (৪২), সয়দাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুলিবাড়ী গ্রামের রিগ্যান তালুকদার (৪০), জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মুলিবাড়ী গ্রামের মো. পথিক (৩৫), সাংগঠনিক সম্পাদক মুলিবাড়ীর স্বাধীন (৩০), ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বড় সারটিয়া গ্রামের মফিজ মোল্লা (৩৮), ৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চর সারটিয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন (৩৬), মুলিবাড়ী গ্রামের যুবলীগকর্মী সুজন (৩০) ও বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের মাইঝাইল মুন্সীবাড়ির লিটন (৪২)।

এ ছাড়া মামলায় আরও অজ্ঞাত ৫-৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বেলকুচি থানার ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, যুবদল নেতা খুনের ঘটনায় তার স্ত্রী হাসি খাতুন বাদী হয়ে মামলা করেছেন। রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে বাদী হাসি খাতুন তার এজাহারে উল্লেখ করেছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, ২ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাতে বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রান্ধুনীবাড়ী বাজারে যুবদল নেতা আকবর আলীকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিহত আকবর আলী সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের বড় সারটিয়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ও ১০ নম্বর সয়দাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের প্রস্তাবিত কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন।