উপমহাদেশের কিংবদন্তি গায়িকা লতা মঙ্গেশকর আর নেই। মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে রবিবার সকালে ৯২ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ‘সুর সম্রাজ্ঞী’।
সাত দশকেরও বেশি সময়ের সংগীত ক্যারিয়ারে ২৫ হাজারেরও বেশি গান করেছেন তিনি। ১৯৪০-এর দশকে মাত্র ১৩ বছর বয়সে ক্যারিয়ার শুরু লতার। এরপর একের পর এক উপহার দিয়েছেন অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় ও হিট গান।
গান করেছেন হাজারেরও বেশি হিন্দি ফিল্মে। এছাড়া ভারতের আঞ্চলিক ও বিদেশি মিলিয়ে ৩৬টি ভাষায় গান করেছেন তিনি। তার থেকে এই ‘সুরের রানি’র সেরা দশ বাংলা গান বাছাই করা নিঃসন্দেহে কঠিন কাজ। তবে শ্রোতাপ্রিয়তা, সুরের মাধুর্য-বৈচিত্র্যতা ও গায়কির ওপর ভিত্তি করে তেমন এক তালিকা প্রকাশ করা হলো পাঠকদের উদ্দেশ্যে—
১. ‘প্রেম একবারই এসেছিল নিরবে’ (গানটির মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। লিরিক লিখেছেন গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার)।
২. ‘আকাশ প্রদীপ জ্বলে’ (গানটির সুরকার সতিনাথ মুখোপাধ্যায় এবং লিরিক লিখেছেন পবিত্র মিত্র)।
৩. ‘আষাঢ় শ্রাবণ মানে তো মন’ (গানটির মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। লিরিক লিখেছেন মুকুল দত্ত)।
৪. ‘রঙ্গিলা বাঁশিতে কে ডাকে’ (গানটির মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন ভুপেন হাজারিকা এবং লিরিক পুলক বন্দোপাধ্যায়ের)।
৫. ‘নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা’ (গানটির মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। লিরিক লিখেছেন পুলক বন্দোপাধ্যায়)।
৬. ‘সাত ভাই চম্পা’ (গানটির লিরিক ও সুর করেছেন সলিল চৌধুরী)।
৭. ‘বলছি তোমার কানে কানে’ (গানটির গীতিকার পুলক বন্দোপাধ্যায় এবং সুরকার বাপ্পী লাহিড়ী)।
৮. ‘ও মোর ময়না গো’ (গানটির লিরিক ও সুর করেছেন সলিল চৌধুরী)।
৯. ‘আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো’ (গানটিতে লিরিক লিখেছেন পুলক বন্দোপাধ্যায়। সুর দিয়েছেন সুধীন দাশগুপ্ত)।
১০. ‘ও পলাশ ও শিমুল’ (গানটির সুরকার সলিল চৌধুরী এবং লিরিক গৌরী প্রসন্ন মজুমদারের)।