শেষ ওভারে শুভাগতর টানা দুই ছয়ে ঢাকার রোমাঞ্চকর জয়

জয়ের জন্য শেষ ওভারে মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার দরকার ছিল ১১ রান। আর সেই কঠিন কাজটি সহজেই করে ফেললেন শুভাগত হোম।

শ্রীলঙ্কান পেসার থিসারা পেরেরার প্রথম দুই বল আছড়ে ফেললেন বাউন্ডারির বাইরে। শুভাগতর এই দুই ছক্কাতেই রোমাঞ্চকর জয় নিশ্চিত হয়ে যায় ঢাকার। তবে সহজ ম্যাচটি কঠিন করে জিতেছে মাহমুদলউল্লার দল।

খুলনা টাইগার্সের দেওয়া ১৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৯.২ ওভারে ১৩১ রান করে ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় ঢাকা। তার আগে সিকান্দার রাজার ফিফটিতে ৮ উইকেটে ১২৯ রান করে খুলনা।

বুধবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে খুলনা। দলীয় ১২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে মুশফিকুর রহিমের দল। সেখান থেকে স্কোরবোর্ডটা হয়ে যায় ৫৮/৬। দলীয় শতরান পেরোনোর আগেই ৭ উইকেট হারায় খুলনা।

ওপেনার সৌম্য সরকারকে (১) দিয়ে শুরু। এরপর একে একে সাজঘরে ফেরেন জাকের আলী (৬), ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার (৬), ইয়াসির আলী (০), উইকেটরক্ষক-অধিনায়ক মুশফিকুর (১২), মেহেদী হাসান (১৭) ও থিসারা পেরেরা (১২)।

খুলনাকে শতক পেরোনো সংগ্রহ এনে দেন রাজা। শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে ৫০ বলে ৬৪ রান করেন তিনি। রাজার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫ চার ও ৪ ছয়ে। ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন রুয়েল মিয়া। মিনিস্টার ঢাকার হয়ে দুটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেন সানি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে ঢাকাও। দলীয় ১২ রানে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল (৬) ও উইকেটরক্ষক ইমরান উজ্জামানকে (৬) হারায় তারা। বিপর্যয় সামাল দিতে চেষ্টা করেন জহুরুল ইসলাম (৩০) ও মাহমুদউল্লাহ। দুজনে গড়েন ৫৭ রানের জুটি।

এরপর শামসুর রাহমানকে (২৫) নিয়ে দলকে শতক পেরোনো স্কোর এনে দেন মাহমুদউল্লাহ। ঢাকার অধিনায়ককে (৩৪) ফেরান পেরেরা। কিছুক্ষণ পর শামসুরকেও (২৫) সাজঘরের পথ দেখান তিনি। তবে ওমরজাইকে (১০) নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন শুভাগত। চাপের মুখে ৯ বলে ১৮ রানের ক্যামিও খেলেন তিনি।