কার্যত ‘ঢাল-তলোয়ারহীন নিধিরাম সর্দারে’ পরিণত হবেন কুয়েতি নারী সৈনিকরা। কারণ তারা সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেও বন্দুক পাবেন না।
কুয়েতি প্রশাসকদের এই নির্দেশিকায় বেজায় চটেছেন সেখানকার নারীরা। সেনাবাহিনীতে ‘কমব্যাট’ রোলে যোগ দিতে পারবেন কুয়েতি নারীরা। তবে রয়েছে দুটি শর্ত।
প্রথমত, একজন পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি লাগবে। দ্বিতীয়ত, সৈন্যের পদের মহিলাদেরও বন্দুক ধরতে দেওয়া হবে না।
অর্থাৎ, কার্যত ‘ঢাল-তলোয়ারহীন নিধিরাম সর্দারে’ পরিণত হবেন কুয়েতি নারী সৈনিকরা। কুয়েতি প্রশাসকদের এই নির্দেশিকায় বেজায় চটেছেন সেখানকার নারীরা।
এই নির্দেশিকা কার্যত নারীদের সুযোগ না দেওয়ারই নামান্তর। বলছেন কুয়েতের সমাজকর্মীরা।
প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে প্রথমবার ভোটাধিকার পান কুয়েতের নারীরা। তবে এখনও সেখানকার সংসদ, মন্ত্রণালয়ে নারীদের স্থান নেই।