সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে না দেয়ায় মূল ফটকে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা এবং মূল ফটকে সৌন্দর্য বর্ধনের কাচ ও চেয়ারসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল ফটকের সামনে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা-পুলিশ এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভাঙচুর ও হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৫ জনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও স্মৃতিসৌধের কর্মকর্তারা জানান, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল ফটকের সামনে পাঁচ শতাধিক দর্শনার্থী জড়ো হয়। এ সময় তারা স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করতে চাইলে ফটকে কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীরা ওমিক্রনের কারণে সরকারের নির্দেশনা অনুসারে গণজমায়েত নিষিদ্ধ থাকায় তাদের বাধা দেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উত্তেজিত দর্শনার্থীরা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে স্মৃতিসৌধের মূল ফটকের নিরাপত্তারক্ষীদের দুই কক্ষের কাচ ভাঙচুর করেন। এ ছাড়া ফটকে প্রবেশ পথে দৃষ্টিনন্দনের ১১টি ছোট কোটরের কাচ ভাঙচুর করেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তর সাভার বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও সাভার স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান বলেন, ওমিক্রন রোধে সরকারের নির্দেশনা অনুসারে জানুয়ারির ১৩ তারিখ থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভেতরে সকল ধরনের গণজমায়েত ও জনসমাগম বন্ধ রয়েছে। এরপরও সোমবার বেশ কিছু দর্শনার্থী জোর করে স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করতে চাইলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের বাধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মূল ফটকের কাচ ভাঙচুর করেন তারা। আমরা ১৫ জনকে প্রাথমিকভাবে আটক করেছি।
তিনি আরও বলেন, ভিডিও ফুটেজ দেখে বাকিদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি আটকদের অপরাধ বিবেচনা করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।