করোনায় ৮ জনের মৃত্যু শনাক্ত ৭৩২

দেশে করোনার সংক্রমণ আরও কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে দৈনিক শনাক্ত রোগী ও শনাক্ত হার। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭৩২ জন, নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত হার ৩ দশমিক ২২ শতাংশ হয়েছে। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। এর আগের দিন মঙ্গলবার শনাক্ত হয়েছিল ৭৯৯ জন এবং শনাক্ত হার ছিল ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে ১৯ লাখ ৪৫ হাজার ১০৮ রোগী শনাক্ত এবং মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৫৩ জনের। গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২২ হাজার ৭২৭টি আর পরীক্ষা হয়েছে ২২ হাজার ৭১৬টি। এখন পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৪৭ হাজার ৮৭২টি। বিপরীতে শনাক্ত হার ১৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৮ জনের মধ্যে পুরুষ ৩ আর নারী ৫ জন।  সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঢাকা বিভাগে; ৩ জন। বাকিদের মধ্যে রাজশাহী বিভাগে এক এবং বরিশাল ও রংপুর

বিভাগে দুজন করে মারা গেছে। দেশের স্থায়ী টিকা কেন্দ্রগুলোতে টিকা পাওয়া যাবে : যারা করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিতে পারেননি, তারা দেশের স্থায়ী টিকা কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে টিকা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএএইচ ইউনিটের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক। তিনি বলেন, যারা টিকা নেননি, তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা হাসপাতাল বা এনজিও পরিচালিত হাসপাতাল, যেখানে টিকাদান কার্যক্রম চলছে, সেখানে টিকা নিতে পারেন। এমনকি দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ কর্মসূচি যথারীতি চলবে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ কথা বলেন তিনি।

ডা. শামসুল হক বলেন, স্থানীয় কর্র্তৃপক্ষকে প্রয়োজনে টিকাদান কর্মসূচি বাড়ানোর জন্য বলা হলেও সাভার, কেরানীগঞ্জ, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের মতো শিল্প এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠীকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ ১২ দিনে দেশে ২ কোটি ৩২ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডোজ মিলিয়ে এ সময়ে ৩ কোটি ৪৯ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে।