দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে মাত্র দুদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে।
হিলি স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, নাসিক ও ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। নাসিক বড় আকারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকায় আর ছোট আকারটা ৪০ টাকায়। দুদিন আগে যা বিক্রি হয়েছিল ৩১/৩২ টাকায়। ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫/৩৬ টাকা যা দুদিন আগে বিক্রি হয়েছিল ২৬ থেকে ২৮ টাকায়।
হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা বেলাল হোসেন বলেন, গত দুদিন আগে যে পেঁয়াজ নিয়ে গেলাম ২৮ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে আর আজকে পেঁয়াজ কিনতে এসে শুনি পেঁয়াজের দাম ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। হঠাৎ করে দুদিনের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা বাড়ল। আগে যেখানে ২ কেজি কিনতাম এখন সেখানে হাফ কেজি কিনতেই কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
মেহেদুল ইসলাম নামে আরেকজন বলেন, স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কেনা কঠিন হয়ে যাচ্ছে; প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে। প্রতিদিনই ৪/৫ টাকা করে বাড়ছে।
পেঁয়াজ বিক্রেতা মনিরুল আলম বলেন, বাজারে দেশীয় মুড়িকাটা পেঁয়াজের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অপরদিকে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কম হচ্ছে যার প্রভাব পড়ছে বাজারে।
পেঁয়াজ ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, দেশীয় পেঁয়াজের মূল্য নিশ্চিতে সরকার গত ডিসেম্বর মাস থেকে পেঁয়াজের ইমপোর্ট পারমিট (আইপি) বন্ধ করেছে। ফলে আগেই নেয়া ইমপোর্ট পারমিটের মাধ্যমে স্বল্প সংখ্যক পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। এ ছাড়া ওভার লোডিং বন্ধ হওয়ায় গাড়িভাড়া বেড়েছে। সব মিলিয়ে বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে তবে গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে আমদানির পরিমাণ কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ২৫/৩০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হলেও বর্তমানে তা কমে ১৮/২০ ট্রাক হয়েছে। গত ৬ দিনে ১২৮টি ট্রাকে তিন হাজার ৮০০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।