সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে পৌর ও উপজেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের সাতজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার দুপুর ১২টার সময় বেলকুচি মডেল কলেজ চত্বরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বেলকুচি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আকতার হামিদের ছোট ভাই সাব্বির আহমেদসহ তিনজন আহত হয়। অপরদিকে বেলকুচি উপজেলা ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোখলেসুর রহমান রতনের সহযোগী আসিফসহ চারজন আহত হন।
এ বিষয়ে বেলকুচি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদ বলেন, আমার ছোট ভাই সাব্বির আহমেদ তার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে কলেজে গেলে রতনের নেতৃত্বে পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালিয়ে মারাত্মক আহত করে। বর্তমানে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।
বেলকুচি উপজেলা ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোখলেসুর রহমান রতন বলেন, ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে জানতে পারি দীর্ঘদিন হলো বেলকুচির মডেল কলেজে সাব্বির আহমেদের নেতৃত্বে মেয়েদের ইভটিজিং করে আসছে। সাধারণ ছাত্ররা তারই প্রতিবাদ করায় দলবদ্ধভাবে সাব্বির অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেলকুচি মডেল কলেজের ছাত্রদের ওপরে হামলা চালাতে গেলে সাধারণ ছাত্ররা তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে বেলকুচি মডেল কলেজের প্রিন্সিপাল আব্দুল মান্নান বলেন, আমি ভর্তির কাজে ব্যস্ত ছিলাম। ডাকাডাকির শব্দ শুনে বের হয়ে দেখি দৌড়াদৌড়ি করছে। দুই পক্ষের কোনো পক্ষই আমাদের কলেজের ছাত্র না।
বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, মারামারি কথা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আসেনি; অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।