কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল থেকে বিপুলসংখ্যক অ্যান্টিবায়োটিকও ব্যথানাশক ইনজেকশন পাচারের সময় এক নারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহেদা (৩৫) নামের ওই নারী ট্রাভেল ব্যাগ ভর্তি রেলটকস-২ এমজি ও পেনটিড ২০ এমজি, মেগাপাইন ১ গ্রাম নামে ৩শ ৭০টি ইনজেকশন নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়।
এ সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে ব্যাগ খুলে ইনজেকশন ভায়েল দেখতে পায়। পরে ওই নারীকে আটক করে হাসপাতাল ক্যাম্পাসের পুলিশ বক্সে সোপর্দ করা হয়।
সেখানে পুলিশ বক্সে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পুলক কুমার সরকার ও সদর থানার এসআই মিন্টু ও এসআই আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।
ওষুধসহ আটক নারী শাহেদা জানান, আমি হাসপাতালে এসেছি। হাসপাতালের একজন আয়া আমাকে এ ব্যাগটি দিয়ে বাড়ি নিয়ে যেতে বলেছে। আমি ব্যাগটি নিয়ে হাসপাতালের বাইরে আসলে লোকজন আটক করে।
আটক শাহেদা সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের টাপুরচর গ্রামের ফজল উদ্দিনের স্ত্রী বলে জানায় পুলিশ।
জেনারেল হাসপাতালের স্টোর কিপার মমিনুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারব না। এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক স্যারের সঙ্গে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান, ওষুধসহ আটক নারীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শহিদুল্লাহ্ লিংকন জানান, কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পুলক কুমার সরকারকে বাদী করে ওই নারীর বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।